শ্রীনগর: ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় ভয়াবহ আত্মঘাতী বিস্ফোরণে শহিদ হয়েছেন ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান। এক গাড়ি বিস্ফোরক নিয়ে সেদিন কনভয়ে আত্মঘাতী বিস্ফোরণটা যে চালিয়েছিল সেই জঙ্গির নাম আদিল আহমেদ দার। ঘটনার পর জইশের তরফে তার একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলওয়ামার হামলার মাস্টারমাইন্ড কামরান ও আর এক জইশ জঙ্গি আব্দুল রশিদের উপস্থিতিতেই আদিলকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। জানা গিয়েছে গত প্রায় এক বছর ধরে দক্ষিণ কাশ্মীরে এই কামরান জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছিল।

তবে এই আদিলকে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছিল ইব্রাহিম আজহারের তত্ত্বাবধানে। জইশ শীর্ষ নেতা মাসুদ আজহারের ভাই এই ইব্রাহিম। তারই ছেলে মহম্মদ উসমান, যাকে গত বছরের ৩০ অক্টোবর এনকাউন্টারে খতম করেছে সেনাবাহিনী।

এই ইব্রাহিমের নাম শোনা গিয়েছিল কান্দাহার বিমান হাইজ্যাকের সময়। ১৭৬ জন যাত্রীকে নিয়ে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনসের বিমান হাইজ্যাক করার নেপথ্যে চিল ইব্রাহিমের হাত। ১৯৯৯-তে মাসুদ আজহারকে ভারতের জেল থেক মুক্ত করতেই বিমানটি হাইজ্যাক করা হয়েছিল।

কামরানই পাকিস্তান থেকে কাশ্মীরে ঢুকতে সাহায্য করেছিল ইব্রাহিমকে। বোমা তৈরির জিনিসপত্র পাকিস্তান থেকে এপারে আনতে কাজে লাগানো হয়েছিল মহিলা ও শিশুদের। আপাতত পাকিস্তানেই রয়েছে ইব্রাহিম।

তদন্তে অনুমান, ওই আরডিএক্স ভারতেই অ্যাসেম্বল করা হয়েছিল। ট্রিগার সুইচ, ডিটোনেটর ও পাওয়ার ফিউজ বিস্ফোরণের দিনক্ষণ ও সময় চূড়ান্ত হওয়ার পরেই তাতে বিস্ফোরকে লাগানো হয়েছিল বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

পুলওয়ামা জেলার গুণ্ডিবাগ গ্রামের বাসিন্দা আদিল দু’বছরে ছ’বার গ্রেফতার হয়৷ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের অনুযায়ী মনে করা হচ্ছে আদিল এমন এক ব্যাক্তি ছিল যার উপর নজরদারির প্রয়োজন ছিল৷ নজরদারির খামতি নিয়েও উঠছে প্রশ্ন৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও