চণ্ডীগড়: পুলওয়ামা হামলার পর ৯ দিন কেটে গিয়েছে। সেদিনের আতঙ্কের ছবিটা ধীরে ধীরে ঝাপসা হতে শুরু করেছে দেশবাসীর মন থেকে। কিন্তু যারা হারিয়েছেন তাদের পরিবার তাদের মনে খতটা এখনও দগদগে।

১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার দিন। দেশ জুড়ে যখন প্রেমের গোলাপ ফুটছে ঠিক তখনই দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামায় রক্ত গোলাপের গন্ধ। দুপুর সাড়ে তিনটে। আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল উপত্যকা। শহিদ হলেন ভারত মাতার ৪০ বীর জওয়ান। ভালোবাসার দিনেই ভালোবাসার মানুষকে হারালেন কত শত প্রেয়সী। কত পরিবার।

মারা যাওয়ার আগে নিজের স্ত্রী’কে একটি ভিডিও পাঠিয়ে ছিলেন সুখ জিন্দর সিং ( হেড কনস্টেবল , ৭৬ ব্যাটেলিয়ন )। মনখারাপের মাত্রাটা খানিকটা হলেও হালকা করতে চেয়েছিলেন বোধ হয়। কিন্তু ভিডিওটি তাঁর স্ত্রী দেখেন ২২ শে ফেব্রুয়ারি। কাছের মানুষকে হারানোর যন্ত্রণা এতটাই যে শেষ স্মৃতি দৃষ্টিগোচর হতেও লেগে গেল ন নটা দিন।

সেই ভিডিও শেয়ার করলেন শহিদের স্ত্রী। মারা যাওয়ার আগে যা তাঁকে পাঠিয়েছিলেন তাঁর স্বামী। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে জাতীয় সড়ক। যে জাতীয় সড়ক ধরে হামলার আগে যাত্রা করেছিল সিআরপিএফ কনভয়টি ।শেষ বারের মত দেখা যাচ্ছিল সুখ জিন্দরের মুখ, বাসের ভিতরের টুকরো চিত্র ।

পাঞ্জাবের টার্ন তারানের বাসিন্দা ছিলেন ৩৫ বছরের সুখ জিন্দর। ২০০৩ সালে সিআরপিএফে যোগ দিয়েছিলেন মাত্র ১৯ বছর বয়সে। বাবা – মা, স্ত্রী ও সাত মাসের এক পুত্র সন্তান রয়েছে তাঁর পরিবারে। ৮ মাস আগেই তিনি হেড কনস্টেবল পদে প্রোমোশন পান । জইশের ভয়ঙ্কর হামলার কিছুক্ষন আগেই সিআরপিএফ-এর বাস থেকে ভিডিও তুলে নিজের স্ত্রীকে পাঠিয়েছিলেন তিনি।

এই হামলা বর্তমানে দিল্লি ও ইসলামাবাদের প্রধান দ্বন্দ্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে দুই দেশই দুই দেশকে দোষারোপ করছে । ভারত যখন পাকিস্তানকে হামলার প্রতিবাদে কোণঠাসা করার চেসটা করছে তখন পাকিস্তান বলছে তারা এই ঘটনায় জড়িতই নয়। দায়ভার অন্যের কাঁধে তুলে দেওয়ার এই প্রহসন চলতেই থাকবে। কিন্তু যারা হারালেন প্রিয়জন তাদের ভরসা দেবে কে? প্রশ্ন থেকেই যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।