নিউ ইয়র্ক: পালস অক্সিমিটার। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা মাপার জন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রায়শই এই যন্ত্র ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এই যন্ত্র ভুল ফল দিতে পারে। এমনই বলছে মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA)।

করোনা মহামারীর সময় পালস অক্সিমিটারের ব্যবহার প্রচুর বেড়ে গিয়েছে। করোনা রোগীদের চিহ্নিত করতে এই যন্ত্র ব্যবহার করতেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। কিন্তু মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সতর্কীকরণের পর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে এতদিন পালস অক্সিমিটার ব্যবহার করা হয়। রোগীদের শরীরে অক্সিজেনের সাম্যতা বজায় রয়েছে কি না তা জানতে এই যন্ত্র ব্যবহার হয় বহু পরিমাণে। আর এখন তো অনেকের বাড়িতেই থাকে পালস অক্সিমিটার। বিশেষ করে বাড়িতে যদি শ্বাসকষ্টের রোগী থাকে তবে এই যন্ত্র অনেকেই কিনে রাখেন। যাতে শ্বাসকষ্টের সমস্যা হলে রোগীরে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যায় তাই পরিমাপ করতে এই যন্ত্র রাখা হয়।

কিন্ত মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সম্প্রতি জানিয়েছে কিছু ক্ষেত্রে, যেমন- কম সার্কুলেশন, স্কিন পিগমিনটেশন, ত্বকের কতটা পুরু ও দেহের তাপমাত্রা ইত্যাদি এর ফলাফলের উপর প্রভাব ফেলে। ফলে অনেক সময়ই সঠিক ফলাফল পাওয়া সম্ভব হয় না। এই সপ্তাহের গোড়ার দিকে US Centers for Disease Control and Prevention করোনার নির্দেশিকা নিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের সতর্ক করেছে। বলা হয়েছে যে স্কিন পিগমেন্টেশন অক্সিমিটারের ফলাফলে তারতম্য আনতে পারে। এই নিয়ে একটি গবেষণা প্রকাশ হয়েছে নিউ ইংল্যান্ড ডার্নাল অফ মেডিসিনে। সেখানে এও বলা হয়েছে ত্বকের রং গাঢ় হলে পালস অক্সিমিটার থেকে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায় না।

মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বলেছে, সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ত্বকের রং হালকা ও গাঢ় হলে পালস অক্সিমিটারের রিডিং ভিন্ন ভিন্ন হয়। জানুয়ারিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা রোগীদের চিহ্নিত করতে পালস অক্সিমিটার ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিল। সে মতো হাসলাতালগুলিতে এই যন্ত্র নিয়ে রোগীদের পরীক্ষা করা হত। কিন্তু এখন পালস অক্সিমিটারের কার্যকারিতা নিয়েই উঠে গেল প্রশ্ন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।