কলকাতা: “ছোটবেলায় যখন ময়মনসিংহে থাকতাম, আমাদের বাড়িতে বড় করে দুর্গাপুজো হত। মণ্ডপ সজ্জার দায়িত্ব পড়ত বাড়ির ক্ষুদেদের ওপর। আমরা বাচ্চারা সবাই মিলে আনন্দের সঙ্গে হাত লাগিয়ে কাজ করতাম। বাড়ির মেয়েরাও কাজে হাত লাগাত। হোক না ছোট পুজো। তবু তাকে ঘিরে মনে আনন্দ ছিল প্রবল। এখন তো সেইসব দিন হারিয়ে গিয়েছে। তাই পুজো এলেই একটা দুঃখবোধ আমার ভেতরে কাজ করে।” পুজোর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এমন কথাই উঠে এল সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে।

তিনি বললেন, বিশেষ করে পুজোর সময় নিজের ছোটবেলার কথা মনে পড়ে। যদিও লেখালিখি নিয়ে তিনি ব্যস্ত থাকেন সারাটা বছর। পুজোর আগেই লেখার চাপ পড়ে বেশি। পুজো ঘিরে প্রকাশিত হয় পত্রপত্রিকার শারদীয়া সংখ্যা। তাতে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখা পড়ার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন কত কত পাঠক! তিনি জানালেন, এখনকার পুজো অনেকটাই বদলে গিয়েছে।

শীর্ষেন্দু বাবুর কথায়, “দেশের বিভিন্ন জায়গার পুজো দেখেছি। পুজোয় বহুবার বিদেশেও থেকেছি। তবে পুজো ঘিরে বাংলার মানুষের উন্মাদনাই আলাদা। প্রতিমা থেকে শুরু করে আলোকসজ্জা, মণ্ডপ ইত্যাদির ওপর জোর দেয় বহু নামী ক্লাব। অনেক ক্লাব আবার থিম পুজো করে। সত্যি বলতে আমার এসব ভালোই লাগে। তবে ছোটবেলার পুজো ঘিরে আলাদা একটা আনন্দ ছিল। তার সঙ্গে কোনও কিছুর তুলনা হয় না।”

এ বছর একাধিক সাহিত্য পত্রিকার পুজো সংখ্যায় শীর্ষেন্দু মুখোপধ্যায়ের গল্প-উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। সেইসব লেখা ইতিমধ্যেই পাঠকের প্রশংসা পেতে শুরু করেছে। ৮৩ বছর পেরিয়েও ছুটে চলেছে তাঁর মেধামী কলম। সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় শারদ উৎসবের উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁর পাঠকদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.