স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে করোনা রোগীদের জন্য খাওয়াদাওয়ার এলাহি আয়োজন করেছে মেডিক্যাল কলেজ রোগী কল্যাণ সমিতি। সেই মেনুতে লুচি- মাছ-মাংস-দই-মিষ্টি- কী নেই!!!

জানা গিয়েছে, ষষ্ঠীর দুপুরে ভাত মাছের ঝোল। রাতে চিকেন স্যুপ/মাংস।

সপ্তমীর দুপুরেও ভাত- মাছের ঝোল। রাতে চিকেন স্যুপ/মাংস।

অষ্টমীতে নিরামিষ। সেদিন দুপুরে ভাত নবরত্ন ও পনিরের তরকারি, রাতে লুচি, মিষ্টি বোঁদে।

নবমীতে দুপুরের পাতে কচিপাঁঠার ঝোল, রাতে মাছ/চিকেন স্যুপ।

দশমীতে দুপুরে ভাতের পাশে থাকবে ভেটকি পাতুরি, সঙ্গে পাঁচমিশেলি সবজি। রাতে মাংস/মাছ। আর এ সবের সঙ্গে প্রতিদিনই পাতে থাকছে দই মিষ্টি চাটনি পাঁপড় ও পায়েস।

রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের মন্ত্রী নির্মল মাজি জানিয়েছেন, করোনারোগীরা যাতে কোনও ভাবেই না ভাবেন যে, তাঁরা এই উৎসবের বাইরে, তাই এই সিদ্ধান্ত।

উল্লেখ্য, করোনা আক্রান্তরা যাতে পুষ্টি বাড়িয়ে ভাইরাসের সঙ্গে লড়তে পারেন তার জন্য ইতিমধ্যেই এক ধাক্কায় দৈনিক খাওয়া খরচ প্রায় একশো টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার।

স্বাস্থ্য দফতরের নয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এখন ব্রেকফাস্টে থাকছে ৪টি রুটি, ১টি করে ডিম, কলা,২৫০ মিলি দুধ। দুপুরে ১০০ গ্রাম সরু চালের ভাত , ডাল ৫০ গ্রাম, সবজি, ৮০ থেকে ৯০ গ্রাম মাছ বা মাংস এবং দই। এবং রাতের বেলা ভাত বা রুটি, ডাল, সব্জি, ১০০ গ্রাম মাছ বা মুরগির মাংস পান করোনা রোগীরা। তবে দুর্গাপুজোর জন্য কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান নির্মল মাজি আলাদা উদ্যোগ নিয়েছেন।

বলে রাখি, বিশেষজ্ঞরা আগেই জানিয়েছিলেন, নোভেল করোনা ভাইরাস আসলে ফ্ল্যাবিও প্রকৃতির ভাইরাস, যা খুব দ্রুত ছড়িয়ে যাচ্ছে। তবে প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি করে খেলে এই ভাইরাসের কোষ ধ্বংস হতে পারে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।