বিশেষ প্রতিবেদন: প্রকৃতির বুকে এমন অনেক স্বর্গদুয়ার আছে, যেখানে কোনও যানবাহনে চেপে যাওয়া যায় না। পায়ে হেঁটে পৌঁছতে হয় সেইসব সুন্দরের ঠিকানায়। আজ এমন একটি জায়গার বর্ণনা দেওয়া হচ্ছে, যেখানে যেতে হলে ৩৭০০টি সিঁড়ি ভাঙতে হয়। ভাবছেন তো, এত ধকল সইবে না! কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, নংরিয়াত পৌঁছতে পারলে প্রকৃতির আবেশে সমস্ত ক্লান্তি দূরে চলে যায়।

মেঘালয়ে পাহাড়ের খাদে ছবির মতো সাজানো গ্রাম নংরিয়াত। এখানে রয়েছে রেইনবো ফলস– যা পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। সূর্যের আলোয় এই ঝর্ণাজল রামধনু রঙের হয়ে যায়। এই অপূর্ব দৃশ্য দেখতেই সারা বছর নংরিয়াতে ভিড় করেন পর্যটকরা। যারা অফবিট ভ্রমণ ভালবাসেন তাদের কাছে ইতিমধ্যেই প্রিয় হয়ে উঠেছে নংরিয়াত। তবে দুর্গম পথের কারণে এখানে যেতে পর্যটকদের আগ্রহ কিছুটা হলেও কম।

সুযোগ পেলেই অচেনা দিগন্তের ক্যানভাসে ঘুরে বেড়ানো বাঙালির প্রিয় অভ্যাস। তবে, পুজোর ভ্রমণ ঘিরে বাঙালির পরিকল্পনা চলে সারা বছর। একবার সমুদ্র হলে, পরের বার পাহাড়ে যাওয়া চাই। এবার পুজোয় আপনার ট্যুর ডেসটিনেশন হতেই পারে মেঘালয়ের নংরিয়াত। এখানে বেড়াতে গেলে মন হয়ে উঠবে চনমনে।

কলকাতা থেকে বিমানে গুয়াহাটি পৌঁছন। সেখান থেকে ভাড়া গাড়িতে চেরাপুঞ্জি হয়ে তৃণা গ্রামে যাওয়া যায়। এই গ্রাম থেকে ট্রেক করে সোজা নংরিয়াত। যাওয়ার পথে পর্যটকদের জন্য বিশ্রাম নেওয়ার জায়গা আছে। রয়েছে শিরিন হোম স্টে। একটি ঘরে ৫ জনের থাকার ব্যবস্থা। খাবার মেলে এখানেই।