দেবযানী সরকার, কলকাতা: বিজ্ঞাপনের দৌলতে আক্ষরিক অর্থেই বদলে গিয়েছে পুজোর চালচিত্র। কনসেপ্ট বিল্ডার, থিম মিউজিক, ব্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডারদের সৌজন্যে বাঙালির সাবেক দুর্গাপুজো এখন পুরোমাত্রায় আন্তর্জাতিক। কারোর দিকেই চোখ না তাকিয়ে উপায় নেই৷ তবে এবছর কলকাতার দুটি পুজো আলাদা করে নজর কাড়বে৷ কারণ উত্তরের বাগবাজার সার্বজনীন
নাগেরবাজার সর্বজনীন দুর্গোৎসব, এই দুটি পুজোই এবছর একশো বছরে পা দেবে৷

বাগবাজার সার্ব্বজনীন: উত্তর কলকাতার এই পুজো কোনও দিন থিমের হুজুগে গা ভাসাইনি৷ বরং ঐতিহ্য আর সাবেকিয়ানাকে সম্বল করে ফি-বছর লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় টানে এই পুজো৷ এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত পরিকল্পনা না হলেও এবছর প্রভাত ফেরী ও আলোকসজ্জায় আলাদা করে চমক দেবে তারা৷

নাগেরবাজার সর্বজনীন দুর্গোৎসব: এই পুজোও এবার শতবর্ষে পা রাখতে চলেছে৷ এবছর এদের কনসেপ্ট, ‘সব রঙই মেশে, এক রঙেই এসে৷’ দক্ষিণ ভারতের একাধিক বর্ণময় উৎসব দেখা যাবে এই পুজো মন্ডপে৷ এবছর এই পুজো কমিটির বাজেট ৫০ লক্ষ টাকা৷

এই দুটি পুজো শতবর্ষে পা দিলেও শহরের আরও দুটি পুজো একশোর দোরগোড়াতে পৌঁছে গিয়েছে৷ এবছর তাদের বয়স ৯৯ বছর৷ টালা বারোয়ারি ও ট্যাংরা ঘোলপাড়া সার্বজনীন, এই দুটি পুজোই আগামী বছর শতবর্ষে পা দেবে৷

টালা বারোয়ারি: পৃথিবীতে ‘৫০ বছর এগিয়ে’ গিয়ে গত বছর তাক লাগিয়ে দিয়েছিল উত্তর কলকাতার এই পুজো৷ এবছর তাদের ভাবনা বরই অদ্ভুদ৷ কলসেপ্টের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মা কেন মিথ্যে কথা বলে?’ এমন প্রশ্ন করেই ৯৯ বছর বয়সে গোটা শহরবাসীকে ধাঁধায় ফেলে দিয়েছে তারা৷ পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন ১০০ বছরে তাদের চমক মাথা ঘুরিয়ে দেবে৷

ট্যাংরা ঘোলপাড়া সার্বজনীন: উত্তর, মধ্য বা দক্ষিণ কলকাতার নামীদামী পুজোর তালিকায় নেই৷ তারউপর একটু অন্য রুটের পুজো৷ সেইকারণেই প্যান্ডেল হপারদের ভিড় থেকে কিছুটা বঞ্চিত ট্যাংরা ঘোলপাড়া সার্বজনীন। তবে একাধিক শারদ সম্মান জিতেছে তারা৷ এবছর এই পুজোর বয়সও ৯৯ বছর৷ এবছরের চমক আপাতত গোপন রেখেছে তারা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.