ফাইল ছবি

লখনউ: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের কান্ডারি ছিলেন তিনি। ব্যাট হাতে সিরিজে তাঁর ৫২১ রান নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছিল অজি বোলারদের। মিচেল স্টার্ক, জোশ হ্যাজেলউডরা যে কাজটা সহজে করতে পারেননি পুরো সিরিজ জুড়ে, বুধবার লখনউয়ের একানা স্টেডিয়ামে সেটাই করে দেখালেন তরুণ পেসার শিবম মাভি। মাত্র ১১ রানে সাজঘরে ফেরালেন ভারতীয় ব্যাটিং অর্ডারের স্তম্ভ পূজারাকে। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে রেকর্ড ১২৫৮ খেলা পূজারার রঞ্জিতে ফেরার ইনিংস স্থায়ী হল মাত্র ২৮ বল।

রিঙ্কু সিংয়ের দুরন্ত ১৫০ রানে ভর করে রঞ্জির কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথম ইনিংসে ৩৮৫ রান তোলে উত্তর প্রদেশে। গ্রুপ লিগের ম্যাচগুলিতে তিনটি শতরান ও দুটি অর্ধশতরান করা নাইট তারকা দুরন্ত শতরান করলেন রঞ্জির কোয়ার্টার ফাইনালেও। ১৯১ বলে তাঁর ১৫০ রানের ইনিংস সাজানো ছিল ১৯টি বাউন্ডারিতে। এছাড়াও সৌরভ কুমারের ৫৫ এবং শেষদিকে শিবম মাভির ৪২ রান ঘরের মাঠে প্রথম ইনিংসকে উত্তর প্রদেশকে ৩৫০ রানের গন্ডি পেরোতে সাহায্য করে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার হার্ভিক দেশাইয়ের ৮৮ রান সত্ত্বেও দিনের শেষে ১৭০ রানে সাত উইকেটে হারিয়ে ধুঁকছে সৌরাষ্ট্র। পূজারার সঙ্গে ব্যর্থ সৌরাষ্ট্রের মিডল অর্ডার। বিশ্বরাজ জাদেজা-অর্পিত বাসবধা ফিরলেন শূন্য রানে। রানের খাতা না খুলে ফিরলেন কমলেশ মকবনা। ৪২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে টানছেন প্রেরক মানকড়। সঙ্গে ৯ রানে অপরাজিত ধর্মেন্দ্রসিন জাদেজা।

অন্যদিকে বিনয় কুমারের অনবদ্য ইনিংসে ভর করে অপর কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ইনিংসে লিড নিল কর্ণাটক। রাজস্থানের ২২৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৬৬ রানে নয় উইকেট হারিয়ে বসে কর্ণাটক। সেখান থেকে নয় নম্বরে ব্যাট করতে নামা দুরন্ত ৮৩ রান প্রথম ইনিংসে ৩৯ রানের লিড এনে দেয় অ্যাওয়ে দলকে। দশম উইকেটে রনিত মোরের সঙ্গে জুটি বেঁধে তাঁর ৯৭ রানের যোগদান প্রথম ইনিংসে মূল্যবান লিড নিতে সাহায্য করে কর্ণাটককে।

উল্লেখযোগ্য বিষয়, চলতি রঞ্জিতে কর্নাটক দলের সর্বোচ্চ ৬২.৪০ ব্যাটিং গড় এই মুহূর্তে বিনয়ের দখলেই। বল হাতেও ৬ ম্যাচে ১১টি উইকেট রয়েছে তাঁর দখলে। সবমিলিয়ে অল-রাউন্ডার পারফর্মার হিসেবে চলতি রঞ্জি মরশুম অন্যতম সেরা হয়ে উঠতে পারে বিনয়ের জন্য। প্রথম ইনিংসে ৩৯ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়দিনের শেষে রাজস্থানের রান বিনা উইকেটে ১১। এখনও ২৮ রানে পিছিয়ে তারা।