আমদাবাদ: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি টেস্ট সিরিজে এখনও অবধি নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি সেই অর্থে। ব্যাট হাতে প্রথম তিন টেস্টে এসেছে একটি মাত্র অর্ধশতরান। তাও আবার প্রথম টেস্টে। যে ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ল্যাজে-গোবরে হতে হয়েছিলে দলকে। তবে অন্তিম টেস্টে দু’ইনিংস মিলিয়ে ব্যাট হাতে আর কিছু রান ভারতের মিডল-অর্ডারের স্তম্ভ চেতেশ্বর পূজারাকে পৌঁছে দিতে পারে সুনীল গাভাস্কর, গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ এবং বিরাট কোহলির সঙ্গে একাসনে। চতুর্থ টেস্টে রুটদের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে ৪৫ রান করলে ঘরের মাঠে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে হাজার রান পূর্ণ করবেন সৌরাষ্ট্র ব্যাটসম্যান।

আপাতত ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে পূজারার সংগ্রহ ৯৫৫ রান। অর্থাৎ, মোতেরায় ব্যাট হাতে ৪৫ রান পূজারাকে বসিয়ে দিতে পারে সুনীল গাভাস্কর, গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ এবং বিরাট কোহলিদের সঙ্গে একাসনে। এই তিন ব্যাটসম্যানের ব্যাতেই ঘরের মাঠে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ১০০০ বা তার বেশি রান হাঁকানোর কৃতিত্ব রয়েছে। যে বিরল কৃতিত্ব নেই ভারতীয় ক্রিকেটের মহীরুহ সচিন তেন্ডুলকরের ব্যাটেও নেই। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ঘরের মাটিতে ১৫টি টেস্টে তেন্ডুলকরের ঝুলিতে রয়েছে ৯৬০ রান।

তালিকায় সবার উপরে নামটি সুনীল গাভাস্করের। ঘরের মাঠে ২২টি টেস্টে গাভাস্করের সংগ্রহে ১৩৩১ রান। এরপর ১৭ম্যাচে গুন্ডাপা বিশ্বনাথের সংগ্রহে রয়েছে ১০২২ রান। ১২ টেস্টে ১০১৫ রান নিয়ে তালিকায় তৃতীয়স্থানে রয়েছেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। সর্বাধিক ব্যাটিং গড় ৫৯.৭০ কোহলিরই দখলে। ৩টি সেঞ্চুরি এবং ৪টি হাফসেঞ্চুরি সহযোগে এই রান হাঁকিয়েছেন কোহলি। তবে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সেঞ্চুরি হাঁকানোর নিরিখে এগিয়ে রয়েছেন পূজারা, সৌরাষ্ট্র ব্যাটসম্যানের ঝুলিতে রয়েছে ৪টি শতরান।

অধিনায়ক কোহলির মতই এখনও অবধি ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১২টি টেস্ট খেলেছেন পূজারা। ব্যাটিং গড় ৫৩.০৫। ঘরের মাঠে এক ইনিংসে সর্বাধিক রানের শীর্ষে রয়েছেন করুণ নায়ার। কেরিয়ারে একমাত্র ত্রিশতরানটি (৩০৩) ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেই হাঁকিয়েছিলেন করুণ। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক ইনিংসে কোহলির সর্বাধিক স্কোর ২৩৫। আর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পূজারার এক ইনিংসে সর্বাধিক স্কোর অপরাজিত ২০৬। টেস্ট ক্রিকেটে এটাই পূজারার সর্বাধিক স্কোর। আপাতত শেষ ১৯ ইনিংসে কোনও সেঞ্চুরি নেই সৌরাষ্ট্র ব্যাটসম্যানের ব্যাটে। ২০১৯ জানুয়ারিতে সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষবার শতরানের (১৯৩) ইনিংস খেলেছিলেন পূজারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।