কিংস্টন: ভারতের বিরদ্ধে টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন রাকিম কর্নওয়াল৷ ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি লম্বা ও ১৪০ কেজি ওজনের এই ক্যারিবিয়ান অফ-স্পিনার টেস্ট অভিষেকেই নজর কাড়লেন৷ সাবাইনা পার্কে টেস্টের প্রথম দিনে ২৭ ওভার বল করে আটটি মেডেন-সহ ৬৯ রান দিয়ে চেতেশ্বর পূজারার উইকেট তুলে নেন ‘মাউন্টেন ম্যান’।

২৬ বছর বয়সের এই দৈত্যকায় স্পিনার ডাকা হয় এই নামেই। অফ-স্পিনের পাশাপাশি ব্যাটে বেশ স্বাচ্ছন্দ অ্যান্টিগার এই ক্রিকেটার। তবে টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর প্রথম শিকার পূজারা হওয়ায় খুশি কর্নওয়াল৷ সাংবাদিক বৈঠকে বিশ্বের ‘হেভিওয়েট’ ক্রিকেটার বললেন, ‘ প্রথম টেস্ট উইকেট হিসেবে পূজারাকে আউট করতে পেরে ভালো লাগছে৷ তবে আমার কাছে এটা নতুন কিছু নয়। যদিও অনুভূতিটা বেশ সুন্দর।’

কর্নওয়ালের জন্ম অ্যান্টিগার লিওয়ার্ড দ্বীপে। যে দ্বীপ থেকেই কর্নওয়ালের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে খেলেছেন ভিভিয়ান রিচার্ডস, কার্টলি অ্যামব্রোজ, অ্যান্ডি রবার্টস, রিচি রিচার্ডসনের মতো কিংবদন্তি ক্রিকেটাররা। তবে ২০১২ সালে কিয়েরন পাওয়েলের পর এই দ্বীপ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে টেস্ট খেললেন কর্নওয়াল।

২০১১ সালে ১৮ বছর বয়সে লিওয়ার্ড দ্বীপের হয়ে ত্রিনিদাদ টোবাগোর বিরুদ্ধে ক্রিকেটে প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটে কর্নওয়ালের। সেই ম্যাচে উইকেট না-পেলেও চার ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ২১ রান দিয়েছিলেন। ব্যাট হাতে অবশ্য রান পাননি। বড় শরীর নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই ‘রানিং বিট-উইন দ্য উইকেটে’ খুব স্বচ্ছন্দ নন তিনি। তবে বিগ হিটারের জন্য সুনাম রয়েছে কর্নওয়ালের৷ তাঁর লম্বা ছক্কা গুলো মনে করিয়ে দেয় আরেক ক্যারিবিয়ান অল-রাউন্ডার কাইরন পোলার্ডকে।

যদিও বাইশ গজে ‘হেভিওয়েট’ খেলোয়াড় হিসেবে কর্নওয়ালই প্রথম নন৷ বারমুডার ৩৬ বছরের স্পিনার ডাওয়েন লেভেরককে দেখেছে ক্রিকেটবিশ্ব। তাঁর ওজন ছিল ১২২ কেজি। ২০০৭ ক্যারিবিয়ান বিশ্বকাপে বারমুডা দলের সদস্য ছিলেন লেভেরকক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.