গুয়াহাটি: করোনাকালেই আসন্ন দুর্গোৎসব। শারদোৎসবকে মাথায় রেখেই বাড়তি তৎপরতা রাজ্যে-রাজ্যে। উৎসবের আনন্দের রং যাতে কোনওভাবেই সংক্রমণের জাঁতাকলে ফিকে হয়ে না যায় সেব্যাপারে আগাম তৎপরতা অসম সরকারের। অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা সাফ জানিয়েছেন, এবার পঞ্চমীর দিনেই পূজারিদের করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। পরে বিসর্জনের দিনেও আরও একবার করোনা পরীক্ষা করাতে হবে পূজারিদের।

উৎসবের মরশুম শেষে দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ বিপজ্জনক আকার নিতে পারে বলে আগেই সতর্ক করে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আনন্দ মেতে উঠতে গিয়ে অজান্তেই সংক্রমিত হয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল। সেই কারণেই এবার বাড়তি তৎপরতা অসম সরকারের।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, এবার দুর্গাপুজোর পঞ্চমীর দিনে প্রতিটি মণ্ডপের পূজারিদের করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। এপরপর ফের বিসর্জনের দিনেও তাঁদের করোনা টেস্ট করাতে হবে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতেই রাজ্যের তরফে এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে প্রতিটি দুর্গাপুজোর আয়োজকদের।

এরই পাশাপাশি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এবার অসমে পুজোর দিনগুলিতে মণ্ডপে রাত ১০টার মধ্যে দর্শনার্থীদের ঢোকা বন্ধ করতে হবে। ভিড় এড়াতে সবরকম ব্যবস্থা রাখতে হবে পুজো মণ্ডপগুলিতে। নিয়মিত স্যানিটাইজ করতে হবে পুজো মণ্ডপগুলি। পুজোর আনন্দে মেতে উঠতে গিয়ে যাতে কোনওভাবেই করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে।

শুধু পুজো মণ্ডপগুলিতেই নয় সতর্কতা নিতে হবে রেস্তোঁরাগুলিতেও। পুজোর দিনগুলিতে রাত ৯টার পর কোন রেস্তোঁরা খোলা রাখা যাবে না। কোভিড প্রোটোকল মেনে চলতে হবে রেস্তোঁরাগুলিকেও। উৎসবের দিনগুলিতে সংক্রমণ এড়াতে যাবতীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে রাজ্যের প্রতিটি রেস্তোঁরায়।

দেশের অন্য রাজ্যগুলির পাশাপাশি করোনার সংক্রমণ ছড়াচ্ছে অসমেও। মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী অসমে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ লক্ষের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে। ইতিমধ্যেই করোনা প্রাণ কেড়েছে সেরাজ্যের ৮২৬ জন মানুষের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I