নয়াদিল্লি: পাবজি সহ মোট ১১৮ টি অ্যাপকে নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। এমতাবস্থায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, যাদের ফোনে ইতিমধ্যে পাবজি ইন্সটল করা রয়েছে, তাঁদের ফোনেও কি কাজ করা বন্ধ করে দেবে এই গেম?

আপাতত দেখা গিয়েছে রাত ১২ টার পরেও কাজ করছে পাবজি গেম। এমনকি সেটি প্লে স্টোরে এবং অ্যাপল অ্যাপ স্টোরেও মিলছে।

তবে মনে করা হচ্ছে বৃহস্পতিবারের মধ্যেই এই অ্যাপ প্লে স্টোর ও অ্যাপল স্টোর থেকে সরে যেতে পারে। তবে এরপরেও এটি মোবাইলে কাজ করবে কীনা, তা পুরোপুরি নির্ভর করছে সরকারের ওপরে।

বিভিন্ন উপায়ে একটি অ্যাপ্লিকেশনকে ব্লক করা যেতে পারে। সরকার যদি টেলিকম এবং ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহকারীদের উদ্দেশ্যে অ্যাপ্লিকেশনটিকে ব্লক করে দেওয়ার কোনও নির্দেশিকা জারি করে তবে আপনি পাবজি মোবাইলে খেলতে পারবেন না।

এর আগে যখন টিকটক ব্যান করা হয়। তখন প্রাথমিকভাবে অ্যাপ এবং প্লে স্টোর থেকে টিকটককে সরানো হয়। পরে টিকটক অ্যাপটি মোবাইলে কাজ করা বন্ধ করেছিল। মনে করা হচ্ছে, এক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটবে। কারণ এছাড়া আপাতত দ্বিতীয় রাস্তা নেই।

এখন দেখার বিষয় হল, পাবজি সরকারি এই নির্দেশকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করে কিনা। টিকটকের সময় অবশ্য টিকটক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল তাঁরা সরকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানাবে না। এখন পাবজি কর্তৃপক্ষ কী করে সেটাই দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.