নয়াদিল্লি : দ্বিতীয় বার ডিজিটাল স্ট্রাইক করেছে কেন্দ্র। বন্ধ করা হয়েছে ৪৭টি চিনা অ্যাপ। তবে এবার তৃতীয় ডিজিটাল স্ট্রাইকের পথে হাঁটতে চলেছেন তাঁরা। সূত্রের খবর জনপ্রিয় মোবাইল অ্যাপ পাবজি, লুডো ওয়ার্ল্ড বা আলিএক্সপ্রেসের মতো ২৭৫টি অ্যাপ বাতিল করবে কেন্দ্র। মোট ২৭৫টি চিনা অ্যাপের তালিকা তৈরি হয়েছে, যা কেন্দ্রের নজরে রয়েছে বেশ কয়েকদিন ধরেই।

পড়ুন আরও- অক্সফোর্ডের ‘ভ্যাক্সিন’ একটি সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষণের ইঙ্গিত সেরাম কর্তার

ভারতের নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে এই অ্যাপগুলি ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলেই মনে করছে কেন্দ্র। ফলে এই অ্যাপগুলি ব্যান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন জানাচ্ছে টিকটক ও উইচ্যাটের মতো অ্যাপ বাতিল করে কেন্দ্র নিজের ক্ষমতা বুঝিয়েছে।

পড়ুন আরও- BREAKING: ভারতে TikTok সহ ৫৯টি চিনের অ্যাপ নিষিদ্ধ করল মোদী সরকার

এরপর থেকেই আরও কড়া নজরদারি চালানো শুরু হয়েছে চিনা অ্যাপগুলির ওপর। মোবাইল গেম সেনসেশন পাবজির সংস্থা টেনসেন্ট, আলিবাব গ্রুপের শপিং পোর্টাল আলিএক্সপ্রেস বা শাওমির জিলি রয়েছে ব্যান হতে চলা অ্যাপের তালিকায়। এর মধ্যে শাওমির ১৪টি অ্যাপ রয়েছে। রয়েছে তুলনামূলক কম জনপ্রিয় কাপকাট বা ফেসইউ।

মেইটু, এলবিই টেক, পারফেক্ট কর্প, নেটাসে গেমস, ইয়ুজু গ্লোবালের নাম রয়েছে ব্যান হতে চলা অ্যাপের তালিকায়। সোমবার জানা যায়, নতুন করে আরও ৪৭টি চিনা অ্যাপ বাতিল করেছে কেন্দ্র। জানা গিয়েছে যে ৫৯টি চিনা অ্যাপ আগে বাতিল করেছিল কেন্দ্র, তার ক্লোন এই নতুন ব্যান হওয়া অ্যাপগুলি।

যেমন টিকটক লাইট, ইউচ্যাট লাইট ইত্যাদি। পাশাপাশি জানা গিয়েছে আরও ২৭৫টি অ্যাপ বাতিল করার রাস্তায় হাঁটতে পারে কেন্দ্র। এরমধ্যে রয়েছে অত্যন্ত জনপ্রিয় গেম অ্যাপ পাবজি। সেই পরিকল্পনা চলছে।

শুক্রবার ভারত এই অ্যাপগুলি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মতো সোমবার থেকে সিদ্ধান্ত বলবৎ করা হয়েছে বলে খবর। টাইমস নাওয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী দ্বিতীয় বার ডিজিটাল স্ট্রাইকের জেরে চিনা অর্থনীতি নতুন করে ধাক্কা খাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এদিকে, জুন মাসের শেষে, ২৯শে জুন রাতারাতি ৫৯টি চিনা অ্যাপ বাতিল ঘোষণা করে কেন্দ্র। ভারত-চিন সংঘাতের পরই একধাক্কায় ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে দেয় মোদী সরকার। টিক টক, হ্যালো-র মত বেশ কিছু জনপ্রিয় অ্যাপ ভারতে বন্ধ করে দেওয়া হয় রাতারাতি। সেই অ্যাপগুলিকে ফের কড়া বার্তা দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।