করাচি: ফাওয়াদ আহমেদ, টম ব্যান্টন সহ ৭ জন ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত হওয়ায় বাড়ছিল উদ্বেগ। শেষমেষ আশঙ্কায় সিলমোহর দিয়ে আপাতত স্থগিত হয়ে গেল পাকিস্তানের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট পিএসএল। যা শুরু হয়েছিল গত ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে। বৃহস্পতিবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের মধ্যে একটি বৈঠকের পর টুর্নামেন্ট স্থগিতাদেশের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পাকিস্তান সুপার লিগের তরফ থেকে একটি মিডিয়া রিলিজ প্রকাশ করে গোটা বিষয়টি সম্পর্কে জ্ঞাত করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ‘প্রতিযোগীদের সুস্বাস্থ্যের কথা খেয়াল রেখে দলের মালিকদের সঙ্গে একটি বৈঠকের পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড তড়িঘড়ি এইচবিএল পাকিস্তান সুপার লিগ ৬ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। প্রতিযোগীতায় সাতজনের করোনা আক্রান্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরেই এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। যা গত ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছিল।’

প্রেস রিলিজে আরও বলা হয়েছে, ‘দ্রুত পদক্ষেপ হিসেবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তার দিকেই ফোকাস করছে। তাই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী ৬টি দলের সকলের জন্য পুনরায় পিসিআর পরীক্ষা, ভ্যাকসিন এবং আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’ প্রাথমিকভাবে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টেয় করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে পিসিবি’র মুখ্য আধিকারিক ওয়াসিম খানের একটি সাংবাদিক সম্মেলন করার কথা থাকলেও সেটির ক্ষেত্রেও পরিকল্পনায় বদল আনা হয়েছে।

পাকিস্তান সুপার লিগ জানিয়েছে, সাংবাদিক সম্মেলন কক্ষে সীমিত জায়গার কারণে সংবাদমাধ্যমকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে গোটা ঘটনাটি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ইউ টিউব চ্যানেলে লাইভ স্ট্রিমিং হবে। ২০ ফেব্রুয়ারি-৩ মার্চ অর্থাৎ, স্থগিত হওয়ার আগে অবধি প্রথম ৫ ম্যাচে ৩টি জয় নিয়ে লিগ টেবিলে সবার উপরে রয়েছে করাচি কিংস। পেশোয়ার জালমি, ইসলামাবাদ ইউনাইটেড এবং লাহোর কালান্ডার্সও তিনটি করে ম্যাচ জিতলেও নেট রান রেটে পিছিয়ে রয়েছে তারা।

উল্লেখ্য, গত সোমবার থেকে পাকিস্তান সুপার লিগে ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফ মিলিয়ে মোট ২৪৪ জনের পিসিআর টেস্ট করা হয়। তার মধ্যে তিনজন পজিটিভ চিহ্নিত হন। ফাওয়াদ আহমেদ ও টম ব্যান্টন ছাড়াও একজন স্থানীয় সাপোর্ট স্টাফের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে প্রাথমিকভাবে।আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে প্রত্যেককে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।