প্যারিস: লিগা ওয়ান, ফরাসি কাপের পর শুক্রবার ফরাসি লিগ কাপও জিতে নিল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন। টাইব্রেকারে লিয়ঁকে হারিয়ে এদিন ঘরোয়া ত্রিমুকুট জয় করল ফ্রান্সের চ্যাম্পিয়ন দলটি। নির্ধারিত সময় গোলশূন্য থাকার পর টাইব্রেকারে এদিন নিষ্পত্তি হয় মেগা ফাইনালের। সেখানে লিয়ঁকে ৬-৫ গোলে হারিয়ে খেতাব নিশ্চিত করেন নেইমাররা। এই নিয়ে নবমবার ফরাসি লিগ কাপ জিতল প্যারিসের দলটি।

করোনা ভাইরাসের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে স্তেদ দি ফ্রান্স স্টেডিয়ামে এদিন ফাইনাল উপভোগ করতে ৫ হাজার দর্শকের সমাগম ঘটেছিল। চূড়ান্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনেই স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় অনুরাগীদের। দর্শকপূর্ণ স্টেডিয়ামে টাইব্রেকারে লিয়ঁর বার্ট্রেন্ড তাওরের শট পিএসজি গোলরক্ষক কেইলর নাভাস সেভ করতেই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন সমর্থকেরা।

নির্ধারিত সময়ে লিয়ঁ গোলরক্ষক অ্যান্থনি লোপেজ বারকয়েক দুরন্ত সেভ করে ত্রাতা হয়ে ওঠেন দলের। ব্রাজিলিয়ান তারকাকে নেইমারের তিনটি প্রয়াস ব্যর্থ হয় লোপেজের দস্তানায়। এছাড়াও অ্যাঞ্জেল দি মারিয়া ইদ্রিসা গুয়েই’য়ের গোলমুখী প্রচেষ্টায় ঢাল হয়ে দাঁড়ান লোপেজ।

অন্যদিকে ম্যাক্সওয়েল কর্নেটের একটি দুরন্ত ফ্রি-কিক রক্ষা করেন পিএসজি গোলরক্ষক কেইলর নাভাস। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে যেতে হয় লিয়ঁ ডিফেন্ডার রাফায়েল দ্য সিলভাকে। নির্ধারিত সময়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করলেও পেনাল্টি শুট আউটে পিএসজি ফুটবলারদের সামনে পাঁচিল হয়ে উঠতে পারেননি লোপেজ। সমানে সমানে লড়াই চললেও ষষ্ঠ পেনাল্টি নষ্ট করে পিএসজি’র হয়ে খলনায়ক বনে যান তাওরে।

অন্যদিকে পাঁচটি সফল শুটের পর ষষ্ঠ শুটটিও ঠান্ডা মাথায় জালে রাখেন পিএসজি’র সারাবিয়া। ৬-৫ গোলে জিতে করোনা বিঘ্নিত মরশুমেও ঘরোয়া তৃতীয় ট্রফিটি ঘরে ক্যাবিনেটে তোলেন পিএসজি ফুটবলাররা।

এর আগে করোনার জেরে মরশুম মাঝপথে শেষ হলেও স্থগিতকালে প্রচুর পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় লিগা ওয়ান খেতাব জিতে নেয় প্যারিসের দলটি।

এরপর চলতি সপ্তাহের শুরুতে সেইন্ট ইতিয়েনকে হারিয়ে ফরাসি কাপ ঘরে তোলেন নেইমাররা। তবে ওই ম্যাচে গোড়ালি মচকে যাওয়ায় প্রায় তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে কিলিয়ান এমবাপেকে। ফলে ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জয়ী দলের এই তারকা খেলোয়াড়কে ১২ অগস্ট চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে আটলান্টার বিরুদ্ধে পাবে না পিএসজি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ