মিউনিখ: ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপের জোড়া গোলে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস লড়াই জিতে নিল পিএসজি৷ বুধবার রাতে মিউনিখে বরফ বৃষ্টির মধ্যেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্নকে ৩-২ হারায় ফরাসি দলটি৷ অ্যাওয়ে ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের পথে এক পা এগিয়ে গেল পিএসজি৷

মাস সাতেক আগে এই বায়ার্নের বিরুদ্ধে হেরে স্বপ্ন ভেঙেছিল পিএসজি’র৷ সেই বায়ার্ন মিউনিখকে পেয়ে জ্বলে ওঠেন এমবাপে ও নেইমাররা। দুই তারকা ফরোয়ার্ডের নৈপুণ্যে জার্মান দলটিকে তাদের মাঠেই হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ চারে ওঠার পথে এগিয়ে গেল পিএসজি। আলিয়াঞ্জ এরিনায় রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে পিএসজি-কে জয় এনে দেন এমবাপের জোড়া গোল৷ আগামী মঙ্গলবার ঘরের মাঠে ফিরতি লেগ ড্র করলেই সেমিফাইনালের টিকিট হাতে পেয়ে যায় ফরাসি দলটি৷

এদিন ম্যাচের প্রথম আধ ঘণ্টাতেই এমবাপে ও মার্কিনিয়োসের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি৷ তবে দু’ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়ায় গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। চৌপো-মোটিং ব্যবধান কমানোর বায়ার্নকে সমতা ফেরান টমাস মুলার। কিন্তু এমবাপের দ্বিতীয় গোলে জয় নিশ্চিত করে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। সেই সঙ্গে দু’ বছরের বেশি সময় পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হারল বায়ার্ন৷ একই সঙ্গে কোচ হ্যান্সি ফ্লিকের বায়ার্নের কোচ হিসেবে এটাই প্রথম হার৷ তাঁর কোচিংয়ে গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ১৬ ম্যাচ জিতেছিল বায়ার্ন মিউনিখ৷

গত বছর অগস্টে ২০১৯-২০ মরশুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে পিএসজি-কে ১-০ হারিয়ে খেতাব জিতেছিল বায়ার্ন। ভঙ্গ হৃদয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন পিএসজি খেলোয়াড়রা৷ এদিন তারই প্রতিশোধ নিতে মাঠে নামেন এমবাপে-নেইমাররা৷ মিশনে এক ধাপ এগিয়ে গেল পিএসজি। এদিন দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন পিএসজি-র ফরাসি ও ব্রাজিলিয়ন তারকা৷ শেষ ষোলোর প্রথম লেগে বার্সেলোনার মাঠে হ্যাটট্রিক করে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন এমবাপে। আর শেষ আটের প্রথম লেগে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্নের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জোড়া গোল করে দলকে জেতান তিনি৷। এমবাপের দু’টি গোলেই অবদান রাখেন নেইমার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.