হরিয়ানাঃ  পড়ুয়াদেরও দিতে করোনার ভ্যাকসিন। এমনটাই দাবি জানাল ইন্ডিয়ান ন্যাশানাল স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। আজ শনিবার সেই ঐতিহাসিক দিন। দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে ভ্যাকসিন। ঠিক সকাল সাড়ে ১০ টায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যনে দেশ জুড়ে বক্তব্য রাখবেন মোদী।

তারপরই শুরু হবে দেশ জুড়ে টীকাকরণ কর্মসূচী। আর এরই মধ্যে পড়ুয়াদের বিনামূল্যে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার দাবি তুললেন ইন্ডিয়ান ন্যাশানাল স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।

ইতিমধ্যে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট দিগ্বিজয় সিং চৌতালা ইতিমধ্যে এই বিষয়ে দাবি জানিয়েছে। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খাট্টারকেও ইতিমধ্যে চিঠি দিয়েছেন চৌতালা। যেখানে হরিয়ানার পড়ুয়াদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশের সমস্ত মানুষকে টীকা দেওয়া হবে। আর এটাই হবে বিশ্বের সবথেকে বড় ভ্যাক্সিন ড্রাইভ, কারণ ভারতের মত বিপুল জনসংখ্যার মানুষকে ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে বিশ্বে প্রথমবার।

সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে ৩০০৬ টি জায়গা ভ্যাক্সিন দেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। সবগুলি জায়গায় ভার্চুয়ালি কানেক্ট করা থাকবে, যখন লঞ্চ হবে। প্রথম দিনেই প্রত্যেকটি সেশন সাইটে ১০০ জনকে করে ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে।

ভ্যাক্সিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন “the beginning of the end” বলে চিহ্নিত করেছেন।

শুক্রবারই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগামিকাল একটি অত্যন গুরুত্বপূর্ণ একটা দিন। সম্ভবত এটাই কোভিডের শেষের শুরু। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রথম পর্যায় বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সতর্ক করেছেন যাতে ভ্যাক্সিনের প্রক্রিয়া শুরু হলেও সাধারণ মানুষকে আগের মতই নিয়ম বিধি মেনে চলতে হবে আপাতত।

অন্যদিকে, দেশের সব অংশের পাশাপাশি করোনার টিকাকপরণ চলছে এরাজ্যেও। শহর কলকাতা-সহ জেলাগুলিতেও নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে শুরু টিকাকরণ কর্মসূচি। কলকাতা-সহ রাজ্যের মোট ২০৪টি কেন্দ্র থেকে শুরু করোনার টিকাকরণ। কলকাতার ১৪টি কেন্দ্রে করোনার টিকাকরণ প্রক্রিয়া চলছে। গোটা রাজ্যে করোনার টিকাকরণ প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রায় ৩ কোটি মানুষকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আজ থেকে টিকা দেওয়া শুরু। তালিকায় প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা, স্বাস্থ্যকর্মীরা। এরপর আরও ২৭ কোটি ভারতীয় নাগরিককে করোনার টিকা দেওয়া হবে।

এক্ষেত্রে যাঁদের বয়স ৫০ বছরের বেশি তাঁরা পাবেন অগ্রাধিকার। তারপরে ৫০ বছরের কম অথচ যাঁদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে, তাঁরা করোনার টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।