কলকাতা: মমতা জমানায় এই রাজ্য ছয় শতাংশ গরিবি কমেছে। আর সেটা উঠে এসেছে খোদ কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্টে ৷ এ গোটা দেশে যেখন দারিদ্রের হার বাড়ছে সেখানে পশ্চিমবঙ্গে তা কমে গেলে বিষয়টা যে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ তা বলাই বাহুল্য। কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রকের অধীনে থাকা ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিস (এনএসও)এর রিপোর্ট এমনটাই জানিয়েছে। আর এই রিপোর্টের কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন৷ পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, এই সাফল্যের কারণ হল, নানা ধরনের সামাজিক ও পরিষেবামূলক কর্মসূচি।

নবান্ন সূত্রে খবর, অন্যান্য বড় রাজ্যের তুলনায় এ রাজ্যে দারিদ্র কমার হার বেশি। দেখা গিয়েছে ২০১১-১২ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে বাংলায় সার্বিকভাবে দারিদ্রের হার কমে গিয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলার পরে স্থান রয়েছে গুজরাত ও তামিলনাড়ুর। অন্যদিকে, বড় রাজ্যগুলির মধ্যে মহারাষ্ট্রে দারিদ্র বৃদ্ধির হার সব থেকে বেশি।

ওই রিপোর্টে অনুসারে, গ্রামীণ ভারতে দারিদ্রের হার বেড়েছে চার শতাংশ ফলে তা ২৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩০ শতাংশ হয়েছে। কিন্তু বাংলায় দারিদ্রের হার কমেছে। বিভিন্নমহলের ধারণা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী কর্মসূচি জন্যই এমনটা হয়েছে। যেহেতু তৃণমূলস্তরে মানুষের রোজগার বাড়াতে নানা ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তাছাড়াও ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প মারফত সাধারণ মানুষ উপকৃত হয় সে ব্যাপারেও উদ্যোগী হয়েছে এই সরকার।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার যেসব জনমুখী প্রকল্প হাতে নিয়েছেন, তার মধ্যে রয়েছে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, মানবিক, সবুজসাথী, সবুজশ্রী, কৃষকবন্ধু, সমব্যাথী ইত্যাদি। কৃষকদের আয় বাড়াতে দেওয়া হচ্ছে কৃষিঋণ, বিনা পয়সায় চাষের বীজ ইত্যাদি। কৃষকদের বিমার টাকা পুরো দিচ্ছে এই সরকার। পাশাপাশি গ্রামের মানুষের আয় বাড়াতে বাড়ি বাড়ি হাঁস, মুরগি প্রতিপালনের জন্য তাও দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া গরিব মানুষের জন্য নেওয়া প্রকল্পগুলি ঠিকমতো চলছে কি না, সে ব্যাপারেও নিয়মিত খোঁজখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এটা তারই সুফল বলে মনে করা হচ্ছে ৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ