মালদহ: নেশা করার প্রতিবাদ করেছিলেন এক চা বিক্রেতা। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ড্রাগের নেশায় আসক্ত যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে কানে আঘাত করল প্রতিবাদীকে। গুরুতর জখম হয়ে প্রতিবাদী মাটিতে লুটিয়ে পড়তেই বাঁশ ও হাঁসুয়ার কোপও বসায় মাথায়। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ চাঁচল থানার ভাদো এলাকায়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত যুবক পলাতক। গুরুতর জখম অবস্থায় আক্রান্ত ওই ব্যক্তিকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করা হয়৷

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম দুলাল শেখ। প্রতিবাদী ব্যক্তির নাম শেখ খলিমুদ্দিন। আক্রান্তের ছেলে আবদুল রজ্জকের অভিযোগ, শেখ খলিমুদ্দিন গভীর রাতে চায়ের দোকান বন্ধ করছিলেন৷ সেই সময় এলাকার যুবক দুলাল তাদের দোকানে আসে। দোকানের ভিতরে ঢুকে ড্রাগের নেশা করতে শুরু করে। তারই প্রতিবাদ করেন চা বিক্রেতা শেখ খলিমুদ্দিন।

 

এরপরই রণমূর্তি ধারণ করেন নেশায় আসক্ত দুলাল। ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে শেখ খলিমুদ্দিনের উপর। বাবাকে বাঁচাতে ঘটনাস্থলে যান ছেলে আবদুল রজ্জক৷ তাঁদের দোকানের কিছু দূরেই কবিরাজি করেন দুলালের বাবা দানেশ শেখ৷ দুলাল নিজেদের দোকান থেকে হাঁসুয়া এনে শেখ খলিমুদ্দিনের উপর হামলা চালায়। ঘটনায় হাঁসুয়ার কোপে তাঁর কান কাটা যায়৷

সুযোগ বুঝে চম্পট দেয় অভিযুক্ত যুবক৷ এরপর আহত খলিমুদ্দিনকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় গ্রামীণ হাসপাতালে৷ সেখান থেকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়৷ বর্তমানে সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন৷ ঘটনায় চাঁচল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে আবদুল রজ্জক৷ পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে৷