নয়াদিল্লি : একদিকে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা, অন্যদিকে সারা দেশ জুড়ে বিক্ষোভের ঝড়। কৃষক বিক্ষোভ ক্রমশই গলার কাঁটা হয়ে উঠছে কেন্দ্রের মোদী সরকারের। এবার ৮ই ডিসেম্বর সারা ভারত জুড়ে বনধের ডাক দিলেন বিক্ষোভকারী কৃষকরা।

কেন্দ্রের নয়া কৃষি বিল বাতিল বা সংশোধন করতে হবে, এই দাবিতে পঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকদের বিক্ষোভ তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। অন্যান্য রাজ্যের কৃষকরাও যোগ দিচ্ছেন তাঁদের সঙ্গে। বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছে ৮ই ডিসেম্বর সারা ভারত বনধের দিন প্রতিটি টোল প্লাজা ও দেশের প্রতিটি রাস্তা আটকে প্রতিবাদ চলবে।

দিল্লিমুখী সব রাস্তা আটকানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষকরা। তাঁদের দাবি না মানা হলে আন্দোলন আরও জোরদার হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এদিকে, সরকারের সঙ্গে পঞ্চম দফার বৈঠকে বসতে চলেছেন কৃষক প্রতিনিধিরা। সাত ঘন্টা ধরে বৈঠক চলার পরেও চতুর্থ দফায় কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি। ফলে পঞ্চম দফায় কতটা ফল পাওয়া যাবে, সেবিষয়ে সন্দিহান অনেকেই।

সূত্রের খবর এই দফার বৈঠকে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রস্তাব রাখা হতে পারে। তবে সেই প্রস্তাবে কৃষকরা রাজি হবেন কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন থাকছে। এক সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষক নেতা গুরনাম সিং চাঁদোনি জানান, কেন্দ্র তাঁদের দাবি না মেনে নিলে সারা দেশ জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়বে।

শনিবার কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে যে বৈঠক হবে, সেখানে কেন্দ্রের তরফে উপস্থিত থাকবেন কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর, খাদ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, শিল্প বাণিজ্য মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী সোম প্রকাশ।

পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরাখণ্ড থেকে আসা লক্ষ লক্ষ কৃষক এই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। তাঁদের আটকে রাখতে গিয়ে হরিয়ানা সরকারে তৈরি হয়েছে সংকট। সরকারের জোট শরিক জেজেপি নেতা উপমুখ্যমন্ত্রী দুষ্যন্ত চৌতালা পদত্যাগের হুমকি দিয়েছেন। যে কোনও সময় রাজ্যে বিজেপি সরকারের পতন হতে পারে।

পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরের সঙ্গে কৃষক প্রতিনিধিদের বারবার বৈঠক ব্যর্থ হয়। এর পরেই আন্দোলনরত কৃষকরা সরকারকে ঘিরে রাখার হুমকি দেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।