তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: রেল বেসরকারি করণের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাঁকুড়া জেলা জুড়ে আন্দোলনে নামল শাসক তৃণমূল।

মঙ্গলবার বিষ্ণুপুর স্টেশনে জেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি ও রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা ও অন্যদিকে সোনামুখী রেল স্টেশনে একই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচীতে অংশ নেন অসংখ্য ছাত্র, যুব, মহিলা তৃণমূলের নেতা-কর্মী।

নেতা, মন্ত্রী থেকে সাধারণ কর্মী প্রত্যেকেই ‘ছিঃ বিজেপি, ধরতে পারবেন না দেশটা বিজেপি বেচে দেবে, রেল বিক্রি আছে’ ইত্যাদি লেখা সহ প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন গলায় ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখান।

বিষ্ণুপুর স্টেশনে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়েজেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি ও রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা বলেন, বিষ্ণুপুর থেকে রেল লাইন এক বছরের মধ্যে শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এক ফোঁটাও সেই কাজ হয়নি। বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এর নাম না করে তাঁকেও এক হাত নেন তিনি। সাংসদ তহবিলের পাঁচ কোটি টাকা কোথায় গেল প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, মিথ্যা ভাষণ দিয়ে শুধু মানুষকে ক্ষেপানোর কাজ করছেন উনি। কাজের কাজ, উন্নয়নের কাজ কিছুই করেননি বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে, সোনামুখী ব্লক তৃণমূল, যুব ও ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে রেল বেসরকারীকরণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্থানীয় রেল স্টেশনে বিক্ষোভ কর্মসূচীতে অংশ নেন অসংখ্য দলীয় নেতা কর্মী। উপস্থিত ছিলেন দলের সোনামুখী ব্লক সভাপতি ইউসুফ মণ্ডল, তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সভাপতি অতনু দুয়ারী, যুব সভাপতি বিশ্বনাথ কুণ্ডু প্রমুখ।

সোনামুখী ব্লক তৃণমূল সভাপতি ইউসুফ মণ্ডল বলেন, দলনেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ৬ থেকে ২১ জুলাই লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচী রয়েছে। তারই অঙ্গ হিসেবে রেল বেসরকারি করণের প্রতিবাদে এই অন্দোলন। এদিনের কর্মসূচীতে ৩০০ থেকে ৪০০ জন কর্মী প্রত্যেকেই যথেষ্ট সামাজিক দূরত্ব মেনে আন্দোলন কর্মসূচীতে অংশ নিয়েছিলেন বলে তিনি দাবি করেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ