কলকাতা: কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি উঠে গেল। মেডিক্যাল কলেজে এবার থেকে করোনার পাশাপাশি অন্য সব রোগেরই চিকিৎসা হবে, কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে কর্মবিরতি তুলে নিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

করোনার পাশাপাশি অন্য রোগের চিকিৎসা চালুর দাবিতে ৭ দিন ধরে অবস্থান-বিক্ষোভ চালাচ্ছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। স্বাস্থ্যভবনের হস্তক্ষেপেও কাটেনি জট। শেষমেশ চিকিৎসকদের দাবি মেনে নেন কর্তৃপক্ষ। মেডিক্যাল কলেজে উঠ যায় কর্মবিরতি।

করোনার করাল গ্রাসে এরাজ্যও। প্রতিদিন শ’য়ে-শ’য়ে মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। এই অবস্থায় রাজ্যের অন্য হাসপাতালগুলির সঙ্গে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজটিও কোভিড হাসপাতাল বলে ঘোষণা করা হয়।

এই বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁদের দাবি, করোনার পাশাপাশি অন্য রোগীদেরও হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ দিতে হবে। এই দাবিতে লাগাতার আন্দোলনে সামিল হন জুনিয়র ডাক্তাররা।

একটানা ৭ দিন ধরে চলে কর্মবিরতি। জুনিয়র ডাক্তারদের ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় স্বাস্থ্যভবন। এমনকী কড়া ব্যবস্থার হুমকিতেও কাজ হয়নি। আন্দোলন তোলেননি জুনিয়র ডাক্তাররা। শেষমেশ জুনিয়র ডাক্তারদের দাবিই মানা হল।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেছেন। মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডক্টর মঞ্জুশ্রী রায়কে জুনিয়র ডাক্তারদের ক্ষো মেটাতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এরপরই বৃহস্পতিবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, করোনা রোগী ছাড়াও অন্য রোগীদের ক্ষেত্রে ইনডোর এবং আউটডোর পরিষেবা চালু হবে মেডিক্যাল কলেজে।

এছাড়াও চিকিৎসকদের এসি ও হোস্টেল নিয়ে যে দাবি ছিল, তা সরকার মেনে নিয়েছে। কর্তৃপক্ষের এই অবস্থানে খুশি আন্দোলনকারীরা। অবস্থান বিক্ষোভ তুলে কাজে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

প্রশ্ন অনেক: তৃতীয় পর্ব