স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: এবার হাওড়ার পথে দেখা গেল বামেদের প্রতিবাদ সভা৷ পঞ্চায়েত নির্বাচনে সকল প্রার্থীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা সহ অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করার দাবিতে এই প্রতিবাদ সভা৷ পাশাপাশি বামেদের তরফে ছয় সদস্যের এক প্রতিনিধি দল জেলার রিটার্নিং অফিসার তথা হাওড়ার জেলাশাসক চৈতালি চক্রবর্ত্তীর হাতে ডেপুটেশন তুলে দেন।

বামেদের দাবি, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বামপন্থী প্রার্থীদের জোর করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করানো হয়েছে সেই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করতে হবে।

আরও পড়ুন: ঘুমন্ত অবস্থায় ধর্ষণের কারণে ভার্জিনিটি হারিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

হাওড়া জেলা বামফ্রন্টের আহ্ববায়ক বিপ্লব মজুমদার বলেন, ‘এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঘোষণার পর থেকেই যেভাবে বাধাদান, ভীতি প্রদর্শন, আক্রমণ করা হয়েছে তা কার্যত নজিরবিহীন। আমতা ও বাগনানের দুই ব্লক সহ পাঁচলা, ডোমজুড়, জগৎবল্লভপুর, বালি-জগাছায় মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। ২৩ এপ্রিল অতিরিক্ত মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনেও একই ঘটনা ঘটেছে হাওড়ায়। গ্রাম পঞ্চায়েতে ৫২ জন ও পঞ্চায়েত সমিতিতে ১১ জনকে জোরপূর্বক মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জেলা পরিষদেও ২ জনকে মনোনয়নপত্র জোর করে তুলিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে নতুন করে খবর এসেছে। অথচ আমরা জেলা পরিষদে ৪০টি আসনেই প্রথমে প্রার্থী দিয়েছিলাম। সিপিএম ৩০ টিতে এবং ফরওয়ার্ড ব্লক ও সিপিআই যথাক্রমে ৭ টি ও ৩ টিতে প্রার্থী দিয়েছিলাম৷ হাওড়ায় পঞ্চায়েত সমিতিতে ৪৬২টি আসনের মধ্যে বামেরা প্রার্থী দিয়েছে ৩২০টিতে। গ্রাম পঞ্চায়েতে হাওড়ায় ২ হাজার ৪৩১টি আসনের মধ্যে বামেরা প্রার্থী দিয়েছে ১ হাজার ৩২৭টিতে।’

আরও পড়ুন: বরানগরে জাল নোট চক্রের হদিশ, গ্রেফতার ২

এদিন হাওড়া ময়দান ফ্লাইওভার চত্বরে হাওড়া জেলা বামফ্রন্ট ওই প্রতিবাদ সভা করে। বক্তব্য রাখেন বামফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ। পরে বামফ্রন্টের তরফে প্রাক্তন মন্ত্রী মোহন্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল জেলাশাসকের হাতে ডেপুটেশন দেন। ওই প্রতিনিধি দলে ছিলেন বাম নেতা অরূপ রায়, ডা: জগন্নাথ ভট্টাচার্য, বিশ্বনাথ সরকার, চন্দ্রশেখর ঝা, মদন বাউর প্রমুখ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।