নয়াদিল্লি: শাহিনবাগে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিক্ষোভের জেরে সমস্যা মেটাতে এবার আসরে সুপ্রিম কোর্ট। সমস্যা মেটাতে এবার দুই মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ শীর্ষ আদালতের। প্রবীণ আইনজীবী সন্তোষ হেগড়ে ও সাধনা রামচন্দ্রনকে মধ্যস্থতাকারীর দায়িত্ব পালন করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বাতিলের দাবিতে গত ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শাহিনবাগে আন্দোলন করছেন মহিলারা। দীর্ঘদিন ধরে একটানা চলা আন্দোলনের জেরে দিল্লির জামিয়া নগরে নিত্যদিনই ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ঘুরপথে গন্তব্যে পৌঁছতে নিত্যদিন চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন অফিসযাত্রী, স্কুল-পড়ুয়া থেকে শুরু করে অন্যরা।

সিএএ বিরোধী আন্দোলনের জেরে গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে দিল্লির কালিন্দিকুঞ্জ-শাহিনবাগ রাস্তা ও ওখলা আন্ডারপাস বন্ধ রয়েছে। শাহিনবাগে চূড়ান্ত ট্রাফিক সমস্যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন আইনজীবী আমিত সাহানি। এলাকার ট্রাফিক সমস্যা দূর করতে শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করেন ওই আইনজীবী। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বলেন, ‘বিক্ষোভ করার অধিকার আপনাদের আছে। তবে রাস্তা আটকে বিক্ষোভ করবেন না। রাস্তা আটকে বিক্ষোভ হলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। আজ আপনারা বিক্ষোভ করছেন, আগামিদিনে অন্যরাও একই পথে হাঁটবে।’

শাহিনবাগে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের জেরে তৈরি সমস্যা মেটাতে দুই বর্ষীয়ান আইনজীবী সঞ্জয় হেগড়ে এবং সাধনা রামচন্দ্রনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে এই দুই আইনজীবীকে আলোচনা করতে বলেছে আদালত। আলোচনার মাধ্যমেই এলাকার ট্রাফিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান বের করতে চেষ্টা করছে শীর্ষ আদালত। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি এই মামলা নিয়ে ফের শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে।

এদিন সুপ্রিম কোর্টে শাহিনবাগ নিয়ে চলা মামলার শুনানিতে ভীম আর্মি প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদের একটি বক্তব্যের উল্লেখ করেন। এর আগে ভীম আর্মির প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদ ঘোষণা করেছিলেন, দেশে শাহিনবাগের মতো আরও পাঁচ হাজার বিক্ষোভ হবে। এদিন মামলাকারী তথা আইনজীবী অমিত সাহানি সেই প্রসঙ্গ আদালতে তোলেন। যা নিয়ে সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, এমন বিক্ষোভ আরও হলেও আদালতের আপত্তি নেই। তবে, কোনওভাবেই রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখানো যাবে না।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ