স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল তৃণমূল ভবনের সামনে। পুরনো কর্মীরা দলে যথাযথ সম্মান পাচ্ছেন না, এই অভিযোগ তুলে বিভিন্ন জেলা থেকে কয়েকশো দলীয় কর্মী ব্যাপক বিক্ষোভ দেখালেন তৃণমূল ভবনের সামনে। শেষ পর্যন্ত দলের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বক্সির হস্তক্ষেপে জট কাটে।

শনিবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ২৬০ জন কর্মী জড়ো হন দলের সদর দফতরের সামনে। তৃণমূল ভবন এর সামনে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে অবস্থানে বসেন তারা। সঙ্গে ছিল দলীয় পতাকা। কখনও কখনও স্লোগান তুলে বিক্ষোভও দেখান। বারবারই দাবি করতে থাকেন যে তাঁরা নেত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাঁকেই সমস্যার কথা জানাবেন।নিরাপত্তারক্ষীরা অনেক চেষ্টা করেও তাঁদের সরাতে পারেননি।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ”আমরা দলের বহু পুরনো কর্মী। কিন্তু তেমন গুরুত্ব পাচ্ছি না। দলের কাজে আমাদের ডাকা হচ্ছে না। তাই আমরা নেত্রীর কাছে জানতে এসেছি, এর কারণ কী। আমরা আবার ভোটের কাজ করতে চাই আগের মতো। আমাদের দলকে ফের ক্ষমতায় আনতে চাই।”

এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে আসরে নামেন দলের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বক্সি। তিনি বিক্ষোভকারীদের অভিযোগের কথা শোনেন। তারপর জানান যে আগামী বৃহস্পতিবার তাঁদের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তিনি নিজে আলোচনায় বসবেন। সমস্ত শুনে সমাধানের চেষ্টা করবেন। এতে খানিকটা আশ্বস্ত হয়ে বিক্ষোভ প্রত্যাহার করেন দলীয় কর্মীরা। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ, মা-মাটি-মানুষ জিন্দাবাদ, তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ স্লোগান দিতে দিতে ফিরে যান তাঁরা।

পুজোর আগে তৃণমূলের সাংগঠনিক স্তরে ব্যাপক রদবদল ঘটিয়েছেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই রদবদল নিয়ে জেলাস্তরের অনেকের অভিযোগ আছে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল বিক্ষুব্ধ নেতাদের সংখ্যা বাড়ছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে দলীয় দফতরের সামনে দলের কর্মীদের অবস্থান তৃণমূলের বাড়তি অস্বস্তি বাড়ালো, সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।