মুম্বই: দেশে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনায় মৃত্যু। ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামনে থেকে লড়ছেন দেশের চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা। এরই মধ্যে মুম্বইয়ে কেইএম হাসপাতালে মৃত্যু হল এক কর্মচারীর। এর প্রতিবাদে হাসপাতালের বাইরে ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু করেছেন হাসপাতাল কর্মী ও প্যারামেডিক্যাল কর্মীরা।

জানা গিয়েছে, করোনা ওয়ার্ডে কাজ করতেন ওই কর্মচারী। তার শরীর ঠিক নেই জানিয়ে ছুটিও চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু চারদিন অসুস্থ থাকার পরেও ছুটি মেলেনি বলে অভিযোগ সামনে এসেছে।

সোমবার রাতে ওই কর্মীর মৃত্যুর পরেই অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করে অন্য কর্মচারীদের মধ্যে। তবে করোনার জেরেই ওই কর্মীর মৃত্যু হয়েছে কিনা, তা এখনও জানা যায়নি। করোনা রিপোর্ট আসার পরেই নিশ্চিত হওয়া যাবে ওই কর্মীর মৃত্যুর কারণ।

হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভরত কর্মীদের দাবি মৃতের পরিবারকে চাকরি ও আর্থিক সাহায্য দিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত।

অন্যদিকে দেশে লাফিয়ে বেড়েছে সংক্রমণ। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় সারা বিশ্বে ১০ নম্বরে উঠে এসেছে ভারতের নাম। আমেরিকা, ব্রাজিল, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানির পরে কোভিড মহামারীতে দশম সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ দেশ হল ভারত।

তবুও এর মধ্যেই সোমবার দেশব্যাপী সীমিত অভ্যন্তরীণ বিমান যাত্রা শুরু হয়েছে। যদিও একাধিক রাজ্যে বিমান চলাচল শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে বহু বিমান বাতিল করে দেয়, যার ফলে শেষ মুহূর্তে সমস্যায় পড়েন শত শত যাত্রী।

ইতিমধ্যে হঠাতই হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বন্ধ করার কথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্বের অন্যতম মেডিক্যাল জার্নাল ‘ল্যানসেট’ গতসপ্তাহে একটি সমীক্ষায় জানিয়েছে, অ্যান্টি-ম্যালেরিয়াল এই ওষুধ ব্যবহারে কোভিড-১৯ রোগীদের মৃত্যুর সম্ভাবনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এমন তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পরের সপ্তাহে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে হু, এমনটাই জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেডরোস।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প