আগরতলা ও গুয়াহাটি: রাজ্য সভায় ইতিমধ্যেই পাশ হয়ে গিয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। কিন্তু উত্তর পূর্ব ভারতে উত্তাপ আরও বাড়ছে। ইতিমধ্যেই সেখানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।

অসমের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কার্ফু জারি হয়েছে। ইতিমধ্যেই কার্ফুর সময়সীমা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সেখানে। সূত্র মারফৎ খবর এসেছে আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের বাড়ি ঘিরে ফেলেছে আন্দোলনকারীরা। চলছে বিক্ষোভ প্রদর্শন।

জানা গিয়েছে, একাধিক অগপ ও বিজেপি বিধায়কেরা আন্দোলনকারীদের হামলার ভয়ে থানায় আশ্রয় নিয়েছেন। আগে থেকেই বিলের প্রতিবাদে রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা বিজেপি ও শরিক অগপ জোটের বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন নাগরিকত্ব সংশোধনী বিরোধীরা।

অন্যদিকে ত্রিপুরার অবস্থাও অগ্নিগর্ভ। সে রাজ্যের রিয়াং শরনার্থী এলাকার কাঞ্চনপুরে টহল দিচ্ছে সেনা। ত্রিপুরায় মঙ্গলবার থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। গুজব যাতে ছড়াতে না পারে তার জন্যই এই ব্যবস্থা বলে জানিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সরকার।

আরও পড়ুন – নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদ, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘিরে ফেলেছে আন্দোলনকারীরা

অন্যদিকে অসমের মতই ক্ষোভে ফুঁসছে ত্রিপুরাও। বুধবার পরিস্থিতি সামলাতে সেনা নামানো হল ত্রিপুরার বেশ কয়েকটি এলাকায়। দুই কলাম সেনা নামানো হয়েছে। এক একটি কলামে থাকে ৭০ জন জওয়ান, যার নেতৃত্বে থাকেন এক বা দু’জন অফিসার। সেনা নামানো হয়েছে ত্রিপুরার কাঞ্চনপুর ও মনু এলাকায়। আর দুই কলাম সেনা নামানো হয়েছে অসমের বঙাইগাঁও এবং ডিব্রুগড়ে।

সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘ডিব্রুগড়ের লাহোওয়ালে সেনা নামানো হয়েছে। তারা পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে সহায়তা করবে। শান্তি বজায় রাখতে বাহিনী ইতিমধ্যেই এলাকায় ফ্ল্যাগ মার্চ শুরু করেছে।’

উল্লেখ্য, বুধবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ভোটাভুটিতে এই বিল পাশ হয়ে যায়। পক্ষে ভোট পড়েছে ১২৫টি ও বিপক্ষে ভোট পড়েছে ১০৫টি। স্বাভাবিকভাবেই ৩৭০-এর পর আরও একটি সাফল্য অমিত শাহের।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ