ফাইল ছবি

ভুবনেশ্বর: একের পর এক দেহব্যবসার চাক ভাঙছে পুলিশ৷ আর এবার এমনই এক দেহব্যবসার পর্দাফাঁস হল ওডিশায়৷ জানা গিয়েছে, ওডিশার গজপতিতে দেহব্যবসায় যুক্ত থাকার অপরাধে চার ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷

গোপন সূত্রে খবর, গজপতির ইন্দ্র লজে হানা দেয় পুলিশ৷ সেখানেই মহিলাদের সঙ্গে তিন ব্যক্তিকে অশ্লীল অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলে পুলিশ৷ এই তিনজনের নাম, শুভেন্দু কর্মকার, সুভাষ জেনা এবং এম শঙ্কর রাও৷ এই লজের মালিক বিশ্নাথ বেবার্তাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ৷ ধৃতদের থেকে চারটি মোবাইল ফোন, ৩৮৩০টাকা এবং বেশকিছু আপত্তিকর জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে৷

ফাইল ছবি

এর আগে, ইন্দোরে বড়সড় দেহব্যবসার চাক ভাঙে পুলিশ৷ জানা যায়, ইন্দোরের একটি স্পা-এর আড়ালে দীর্ঘদিন ধরেই রমরমিয়ে চলছিল দেহব্যবসার কাজ৷ হাতে নাতে ধরা পড়ে যায়, থাইল্যান্ডের তিন মহিলা এবং ৭ ভারতীয়৷ তল্লাশির সময় প্রচুর নগদ টাকা, বিভিন্ন মুদ্রা উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ আন্তর্জাতিক স্তরে এই দেহব্যবসার যোগ রয়েছে কিনা, চলছে অনুসন্ধান৷

এদিকে, গত এপ্রিলেই গোয়াতে এমনই একটি ব়্যাকেটের সন্ধান পায় পুলিশ৷ ধরা পড়ে দুই আফগান নাগরিক, যার মধ্যে একজন আফগান সরকারের কমিউনিকেশন অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি মিনিস্ট্রি-র আধিকারিক৷

পুলিশ ইন্সপেক্টর নোলাসকো ব়্যাপোসো জানান, অভিযুক্ত মহম্মদ ওমর আরিয়ান কমিউনিকেশন অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি মিনিস্ট্রির ইন্টারনাল অডিটের ডিরেক্টর৷ আরেকজন মহম্মদ আজমল হোডমান একজন আফগান আইনজীবী৷ এই দুজনকেই দেহব্যবসায় হাতেনাতে ধরে পুলিশ৷ সেই সঙ্গে উদ্ধার করা হয় উজবেকিস্তানের ২ মহিলাকে৷