প্রতীকী ছবি

লখনউ: হোটেলে রমরমিয়ে চলছিল দেহব্যবসা৷ আর তারই এবার পর্দাফাঁস করল স্থানীয় বাসিন্দারা৷ হাতে নাতে গ্রেফতার ৯৷ এই দেহব্যবসার পর্দাফাঁস হল ফের সেই লখনউতেই৷ এর আগেও যেখানে বারবার এই ধরণের ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এসেছে৷

জানা গিয়েছে, লখনউয়ের হুসেনগঞ্জে দেহব্যবসার চালানোর অপরাধে মঙ্গলবার দুপুর ১২.৩০ মিনিট নাগাদ ৩ মহিলাসহ ৬ পুরুষকে গ্রেফতার করা হয়৷ পুলিশ স্টেশন থেকে ২০০ মিটার অর্থাৎ ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে হোটেলটি থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ আরও বেড়েছে বলে জানা যায়৷

ফাইল ছবি

টাইমস অব ইন্ডিয়া সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই হোটেলের বিপরীতেই প্রদীপ কেসরওয়ানির বাড়ি৷ তিনি জানিয়েছেন, সর্বক্ষণ অচেনা পুরুষ-মহিলারা আনাগোনা করত সেখানে৷ সন্ধ্যের পর বাড়ির মহিলা, বাচ্চাদের বাড়ি থেকে বের হওয়া সমস্যার হয়ে গিয়েছিল৷ সোমবার অবস্থা চরমে ওঠে যখন দুটি দলের মধ্যে টাকা নিয়ে বিবাদ চরমে ওঠে৷ বাসিন্দারা এর প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়৷ এরপরেই স্থানীয় বাসিন্দারা এর হেস্তনেস্ত করতে হোটেল ম্যানেজার সহ আরও বেশ কয়েকজনকে দেহব্যবসার কাজে জড়িত থাকায় হাতে নাতে ধরে ফেলে এবং পুলিশকে খবর দেয়৷

হুসেনগঞ্জের এসএইচও অনিল কুমার জানান, হোটেল ম্যানেজারের নাম আশরাফ আলি ওরফে মিঠুন৷ তাকেই এই ব়্যাকেটের কিংপিন বলে মনে করা হচ্ছে৷ ধৃত ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ গত কয়েক বছর ধরে চার তলা ওই বিল্ডিংয়ের দুটি তলায় এই হোটেল ছিল৷ তারই একটি অংশে দেহব্যবসার কাজ চলছিল বলে জানা যায়৷