এথেন্স: লকডাউনের পরবর্তী পর্যায়ে ধীরে ধীরে গ্রিসে খুলতে শুরু করেছে পতিতালয়গুলি। সেখানে আসতে শুরু করেছে ক্ল্যায়েন্টরা। ফের পতিতালয়গুলি শুরু হওয়ার ফলে স্বস্তি পাচ্ছেন, ভেনিজুয়েলার শ্রমিকরা।

প্রায় তিন মাস করোনার জেরে লকডাউনে বন্ধ থাকার পর ফের খুলে গেছে যৌনকর্মীদের বাড়ির দরজা। ক্লায়েন্টরা এলে আর ফিরতে হচ্ছে না তাঁদের।

যদিও গ্রীসের বেশিরভাগ মানুষ এখনও সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলছেন এবং প্রয়োজনে বাইরে বেরিয়ে এসে কাজে যাচ্ছেন। তবে এসময় পতিতাদের কাজে ফিরে আসা ছাড়া কোনও বিকল্প নেই।

এক যৌন কর্মী যখন তাঁর পরবর্তী খরিদ্দারের জন্য ঘর পরিষ্কার করছিল, সে সময় শিলা (নাম পরিবর্তীত) নামের এক যৌনকর্মী জানিয়েছেন, এই ৩ মাসের মধ্যে খিদে ভুলে থাকার জন্য বেশিরভাগ সময় তাঁরা ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন। তাঁর আবার ছোট্ট একটি বাচ্চাও আছে।

গ্রিসের যৌনকর্মী সমিতির সভাপতি দিমিত্র ক্যানেলোপলৌ জানিয়েছেন, সরকার যে ধরনের নিয়ম চালু করেছে তা রীতিমতো হাস্যকর। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যৌনকর্মীদের বলা হয়েছে তাঁরা যেন খরিদ্দারের সঙ্গে হাত না মেলান। তাঁর প্রশ্ন তাহলে ঘরের মধ্যে যখন “সব হয়” তখনকার ব্যাপারটা কি?

সরকারি বিধি বলছে যৌনকর্মীদের বলা হয়েছে, তাঁরা যেন দূরত্ব বজায় রাখে ও মাস্ক পড়েন। এপ্রসঙ্গে ক্যাটেরিনা নামে এক মহিলা বলছেন, “জীবিকার জন্য সবচেয়ে খারাপ সময়।” তাঁর প্রশ্ন, “সরকারের এই ধরনের নিয়ম নেহাতই রসিকতা। কীভাবে কোনও মেয়ে মাস্ক পড়ে গ্রাহককে খুশি করতে পারে? তাঁর কী মাস্কে জিপার লাগানো উচিত? “

এসবের মধ্যেই দেখা যায়, এক যুবক তার গলায় একটি মুখোশ পরে পতিতালয়ে প্রবেশ করছে, যা স্পষ্ট মনে করিয়ে দেয় মহামারি এখনও শেষ হয়নি।

আন্না কৌরপু নামে এক থার্ড জেন্ডারের মহিলা বলছেন, “এটা মূলত অনেকটা রাশিয়ান রুটলেট -এর মতো। একদিকে আপনি নিজেকে এবং আপনার পরিবারকে বিপদে ফেলেছেন, অন্যদিকে আপনি না ‘পেয়ে’ যাবেন না। উল্লেখ্য, রাশিয়ান রাউটলেট একটি জুয়া খেলা।

এখন যে পরিস্থিতি মারাত্মক খারাপ সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন অনেকেই। আন্না জানিয়েছেন, “এইডস ছড়িয়ে পড়ার পরে পরিস্থিতি সত্যিই খারাপ ছিল, তবে কয়েকমাস পরেই আমরা জানতাম যে কনডম পরা আমাদের সুরক্ষিত রাখবে। কিন্তু এখন তেমন কোনও উপায় নেই।”

উল্লেখ্য, পতিতাদের পাশে দাড়াতে রেড আমব্রেলা অ্যাথেন্স সুপারমার্কেট কুপনগুলিতে প্রায় ৭০০০ ইউরো জোগাড় করে। মহিলাদের মধ্যে বিনামূল্যে হাইড্রো অ্যালকোহলযুক্ত জেল এবং টিস্যু দেওয়া হয়, যাতে তাঁরা কিছুটা হলেও সুরক্ষিত থাকেন।

হিয়া (নাম পরিবর্তিত) নামে এক যৌন কর্মী বলছেন, “আমি মহামারিকে ভয় পাই না, আমি নতুন লকডাউন হওয়ার সম্ভাবনাকে আরও বেশি ভয় করি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।