কলকাতা: আপাতত হচ্ছে না তিন দিনের বাস ধর্মঘট। বাস ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রেখেছেন বাস-মিনিবাস সংগঠন৷ সরকারের আশ্বাসে ৭২ ঘণ্টার ধর্মঘট প্রত্যাহার করল তারা৷ তবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সমস্যার সমাধান না হলে,ফের লাগাতার ধর্মঘটে যাবেন বাসমালিকরা৷

ওয়েস্ট বেঙ্গল বাস ও মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সংগঠনের সম্পাদক প্রদীপ নারায়ন বসু জানালেন, বুধবার সরকারের সঙ্গে বাসমালিকদের সংগঠনের বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে৷ রাজ্য সরকার আশ্বাস দিয়েছেন,কেন্দ্রের কাছে মালিকদের যে সব দাবি আছে,তা কেন্দ্রকে পাঠানো হবে৷ তাছাড়া রাজ্য সরকারের কাছে যে সব দাবি, সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করে হবে৷ তারপরই তিন দিনের বাস ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বাসমালিকদের সংগঠন৷
তিনি আরও জানালেন, আগমী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করবো,এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে লাগাতার ধর্মঘটের পথেই হাঁটবেন তাঁরা৷
একগুচ্ছ দাবিতে তিন দিনের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বাস-মিনিবাস মালিক সংগঠনগুলি।ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৮, ২৯ এবং ৩০ তারিখ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল।
এই তিনদিন গোটা রাজ্যে কোনও বাস এবং মিনিবাস পথে নামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল মালিক সংগঠন। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের কাছে একগুচ্ছ দাবি রেখেছে মালিক সংগঠনগুলি।
তাঁদের দাবি, প্রত্যেকদিন দাম বাড়ছে পেট্রল-ডিজেলের। সঙ্গে আরও দামি হচ্ছে অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের। ফলে ভাড়া না বাড়ালে তাঁদের পক্ষে বাস চালানো আর সম্ভব হচ্ছে না বলেই দাবি বাস মালিকদের। শুধু তাই নয়, করোনা পরিস্থিতিতে মানুষ বাসে ওঠাও কমিয়েছে। ফলে প্রত্যেকদিন লোকসানের বোঝা বাড়ছে।আর সেই কারণে রাজ্য সরকারের কাছে দ্রুত বাস ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অবিলম্বে জ্বালানিতে জিএসটি চালু করার দাবি জানিয়েছে বাস মালিকরা।
জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, করোনা পরিস্থিতিতে বাস যাত্রীর সংখ্যা তুলনামূলক অনেকটাই কমেছে৷ অথচ বেড়েই চলেছে পেট্রলের দাম। এমন অবস্থায় ভাড়া বৃদ্ধি না করে আর লোকসান বহন করা অসম্ভব। জ্বালানির খরচ টানতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অথচ আয় কমছে দিন দিন। এই অবস্থায় বাস চালানোই কার্যত অসম্ভব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।