স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ : তৃণমূল পরিচালিত গ্রামপঞ্চায়েত দফতর জব কার্ড চাইতে গিয়ে মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েতের সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে। পুলিশে অভিযোগ জানানোই মহিলা ও তার পরিবারকে হুমকি। ঘটনার প্রতিবাদে পঞ্চায়েত দফতর ঘেরাও করে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের নিয়ে বিজেপির মহিলা মোর্চার।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার মালদহের ইংরেজবাজার থানার যদুপুর ২গ্রাম পঞ্চায়েতে। গ্রামে সম্প্রতি জব কার্ড করার নির্দেশ এসে পৌঁছেছে। করোনা আবহে অনেকে ভিনরাজ্যো থেকে কাজ ছেড়ে বাড়ি ফিরেছে অনেক শ্রমিক। ফলে সংসার চালাতে এলাকায় ছোট খাটো কাজ করে কোন রকমে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছে এরা। সেই মত গ্রামের মহিলা জব কার্ড করতে পঞ্চায়েত দফতরে সুপারভাইজার অমল মন্ডলের কাছে যায়। মহিলার অভিযোগ ওই সুপারভাইজার তাকে কুপ্রস্তাব দেয় জব কার্ডের জন্য। এরপরই গোটা বিষয় জানিয়ে ঘটনার লিখিত অভিযোগও হয় ইংরেজবাজার থানাতে।

অভিযুক্ত সুপারভাইজারকে সাসপেন্ডও করে পঞ্চায়েতের আধিকারিক। তবুও অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য অভিযুক্ত সুপারভাইজার অমল মন্ডল মহিলাকে ভয় প্রদর্শণ করছেন। দরিদ্র মহিলা ভয়ে অভিযোগ তুলে নেয়। এরপর পুনরায় অমল মন্ডলকে বহাল করে ব্লক প্রশাসন।এখনও ওই মহিলা ও তার পরিবারকে হুমকি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। তারই প্রতিবাদে গ্রামবাসীদের নিয়ে বিজেপি কর্মীর ধর্ণা বিক্ষোভ পঞ্চায়েত দফতরের সামনে শুরু করে।

ওই মহিলা জানায়, জব কার্ড করে দেবে তবে তার তার সঙ্গে সহবাস করতে হবে তারপরেই মিলবে জব কার্ড। অভিযোগ করায় হুমকি দিচ্ছে ওই সুপারভাইজার। অবিলম্বে তার শাস্তি চায়। যদুপুর ২গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি সদস্য সদায় মন্ডলের দাবী অভিযুক্ত সুপারভাইজার অমল মন্ডলের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমান থাকা স্বত্তেও ব্লক আধিকারিক পুনরায় তাকে বহাল করেছেন। আইনানুগ কোন ব্যবস্থা নেন নি। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার দাবী জানিয়ে ধর্ণা বিক্ষোভ করছি। বিজেপির মহিলা নেত্রী সুতপা মুখোপাধ্যায় জানান,এই সরকারের আমলে সাধারন মানুষ পর্যদস্ত। মানুষের কোনও উন্নয়ন হচ্ছে না। শুধু কাটমানী আর তোলাবাজের সরকার চলছে। আর সেই কারনে তাদের আধিকারিক এই ধরনের কুপ্রস্তাব প্রকাশ্যে দিচ্ছে।

অথচ কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না। অবিলম্বে অভিযুক্ত সুপারভাইজারের চাকুরী থেকে বরখাস্ত না করলে আন্দোলন চলবে। জেলা তৃণমূলের কো-অডিনেটর দুলাল সরকার বলেন,যদি অভিযোগ হয়ে থাকে তাহলে পুলিশ আইন রয়েছে তারা ব্যবস্থা নেবে। এই ধরনের অভিযোগ কখনো বরদ্বাস্ত করা হবে না। এই ঘটনা ঘিরে পঞ্চায়েত দফতরে উত্তেজনা রয়েছে। বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। যদিও গোটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারী আধিকারিকদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।