নয়াদিল্লি: শ্রম ও রোজগার বিষয়ক মন্ত্রক সুপারিশ করেছে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডে (ইপিএফ) কর্মীদের অনুদান কমানোর। যাতে কর্মীদের হাতে খরচ করার মতো আয়ের পরিমাণ বাড়ানো যায় তাই এমন সুপারিশ বলা হয়েছে। তবে, এক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার অনুদানের পরিমাণে কমানোর কোনও প্রস্তাব নেই। ২০১৯ সালের এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যান্ড মিসেলেনাস আইন সংশোধনী বিলে এমন সুপারিশ করা হয়েছে।সংশোধিত বিলটির খসড়া ২৩ অগস্ট প্রকাশ করেছে। এই বিষয় নিয়ে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাধারণের মতামত নেবে কেন্দ্র।

অনুদান কমানোর বিষয়টি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট কর্মীর বয়স, লিঙ্গ বা বেতনের পরিমাণের উপর। এখন কোনও সংস্থায় ২০ জন বা তার বেশি কর্মী নিযুক্ত থাকলে ইপিএফওতে যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক। সেক্ষেত্রে কোনও কর্মীর মূল মাসিক বেতন ১৫,০০০ টাকা বা তার কম হলেও তাঁকে ইপিএফওতে যোগ দিতে হয় এবং তাঁর নিজের অনুদান বাবদ ওই কর্মীকে মূল বেতনের ১২ শতাংশ দিতে হয়। অবশ্য নিয়োগকর্তা সংস্থারও সমান অনুদান জমা দিতে হয়। তবে, নিয়োগকর্তা দেওয়া ১২ শতাংশ অনুদানের ৮.৩৩ শতাংশ যায় পেনশন ফান্ডে এবং বাকি ৩.৬৭ শতাংশ যায় প্রভিডেন্ড ফান্ডে।

তবে ২০১৬ সালের বাজেট প্রস্তাবে তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এমন পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন৷ তাঁর বক্তব্য ছিল, একটি নির্দিষ্ট সীমার নীচে আয় হলে তখন প্রভিডেন্ট ফান্ডে কতটা অনুদানের জমা পড়বে তা ঠিক করতে পারবে সংশ্লিষ্ট কর্মীটি৷ তাছাড়া কর্মীদের পেনশন ফান্ড রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি নিয়ন্ত্রিত ন্যাশনাল পেনশন স্কিম এবং ইপিএফও পরিচালিত পেনশন প্রকল্পের মধ্যে যে কোনও একটি বেছে নিতে পারবে বলে প্রস্তাব রাখা হয়েছে।