রিয়াধ : আর পাঁচটা বন্দির মত জীবন ছিল না তাঁর। সহ্য করতে হয়েছে অপরিসীম যৌন নির্যাতন। অবশেষে সেই অন্ধকার কাটিয়ে মুক্তি পেলেন সৌদি আরবের মহিলা সমাজকর্মী (women’s rights activist)লৌজাইন অল হথলাউল (Loujain al-Hathloul)। দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে কারাবাস ভোগ করেছেন তিনি। বুধবার তাঁকে মুক্ত করা হয় (released from prison)। সৌদির অন্যতম সমাজকর্মী ও নারী অধিকার আন্দোলনের পথিকৃৎ হথলাউল, সেদেশে নারীদের গাড়ি চালানোর অধিকার পাইয়ে দিতে অনেক সংগ্রাম করেছেন।

হথলাউলের পরিবার জানিয়েছে তাঁর এই মুক্তি সকালের আলোর মত। আন্তর্জাতিক মহলেও হথলাউলের মুক্তির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে। ৩১ বছরের হথলাউলকে ২০১৮ সালের মে মাসে গ্রেফতার করা হয়। তাঁরই সঙ্গে বন্দি হন, একাধিক মহিলা সহযোদ্ধা ও সমাজকর্মী। কারাগারে ১০০১ দিন কাটিয়েছেন হাথলাউল। তাঁর মুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

ট্যুইট করে হাথলাউলের মুক্তির সংবাদ দেন তাঁর বোন লিনা হাথলাউল। সঙ্গে একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেন তিনি। যেখানে লৌজাইনকে পুরো পরিবারের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে। তবে হাথলাউলের মুক্তির ব্যাপারে সৌদি প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। হাথলাউলকে মুক্তি দিতে ক্রমশ চাপ বাড়ছিল সৌদি প্রশাসনের ওপর। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই ইস্যুতে বেশ কয়েকবার সমালোচনার মুখে পড়তে হয়

সবথেকে বেশি চাপ তৈরি করেছিল মার্কিন প্রশাসন। মার্কিন বিদেশ দফতর থেকে একাধিকবার সৌদি প্রশাসনের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করা হয়। নারী অধিকার নিয়ে সরব হওয়া হাথলাউলের বন্দিত্ব নিয়ে সৌদি আরবকে কার্যত একঘরে করার ডাক দিয়েছিল মার্কিন প্রশাসন।

হাথলাউলের মুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়্যেল মাক্রো। উল্লেখ্য নোবেল শান্তি পুরষ্কারের জন্য ২০১৯ সালে ও ২০২০ সালে মনোনীত হয়েছিল হাথলাউল। তবে তাঁর এই মুক্তি শর্তাসাপেক্ষ। হাথলাউলের ওপর কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছর তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না ও তিন বছরের প্রোবেশনে রাখা হয়েছে তাঁকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.