মুম্বই: এমন অনেক ব্যবসা রয়েছে যা করোনার জেরে লকডাউনের মধ্যে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অনেক সেক্টর পুরোপুরি ডুবে গেছে। তবে, এমন অনেকগুলি খাত বা শিল্প রয়েছে যেখানে তেমন কোনও ব্যাপার ঘটেনি।

এই মুহূর্তে এমন একটি ছোট ব্যবসার কথা বলা হবে, যা কিনা নামমাত্র পুঁজি দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। বর্তমানে মুরগি ও ডিমের চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। এই কারণেই পোল্ট্রি ফার্মিং একটি বড় সুযোগ। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারও পোল্ট্রি ফার্ম প্রচারের জন্য নিজস্ব পর্যায়ে লোন এবং প্রশিক্ষণের সুবিধা দেয়।

বাজারে সবসময় মুরগির চাহিদা বেশি থাকে। এই ব্যবসায় ক্ষতির খুব বেশি সম্ভাবনা নেই। বরং সরকার এটিকে বাড়াতে প্রক্রিয়াকরণ, প্রজনন, পশুপালন ও হ্যাচিং প্রক্রিয়াগুলিতেও বিনিয়োগ করছে।

পোল্ট্রি ফার্মিং এমন একটি ব্যবসা যা স্বল্প ব্যয়ে ভাল লাভ দেয়। হাঁস-মুরগির চাষ পশুপালনের সঙ্গে জড়িত। গ্রামাঞ্চলে বাড়ির পিছনে একটি সামানয় জমিতে পোল্ট্রি চাষ করা যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে মাথায় রাখা দরকার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

পোল্ট্রি ব্যবসা শুরু করতে অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সহজেই ব্যবসায়িক লোন নেওয়া যেতে পারে। যদি আপনি ছোট আকারে একটি পোল্ট্রি ফার্ম শুরু করতে চান তবে এটির জন্য ৫০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা ব্যয় করতে পারেন। আপনি যদি আরও বড় স্তরে ব্যবসা স্থাপন করতে চান, তবে এটির জন্য দেড় লক্ষ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকাও ব্যয় করতে পারেন।

এছাড়া পোল্ট্রি চাষের জন্য যে কোনও সরকারি ব্যাংক থেকে লোন নেওয়া যেতে পারে। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এই কাজের জন্য মোট ব্যয়ের ৭৫ শতাংশ লোন দেয়। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ৫,০০০ মুরগির পোল্ট্রি ফার্মের জন্য ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত লোন দেয়। এসবিআইকে ৫ বছরে এই লোন শোধ দিতে হয়, যদি কোনও কারণে তা না হয়, সেক্ষেত্রে আরও ৬ মাস সময় দেওয়া হয়।

পোল্ট্রি ফার্মিং ব্যবসায় সরকার লোন দেওয়ার পাশাপাশি ভর্তুকিও দেয়। সরকার পোল্ট্রি চাষের জন্য ২৫% পর্যন্ত ভর্তুকি দেয়। এসসি / এসটি বিভাগের লোকদের জন্য এই ভর্তুকি ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত হয়।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV