মুম্বই: সুশান্তের মৃত্যু অনেকগুলো প্রশ্ন তুলে দিয়ে গিয়েছে। একজন সফল নায়ক এত অল্প বয়সে কেন পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন? তা ভেবে পাচ্ছেন না অনেকেই। পোস্টমর্টেম রিপোর্টে প্রমাণিত হয়েছে এটা আত্মহত্যা। তাই, সেই আত্মহত্যার পিছনে কী কারও হাত ছিল? তা নিয়েই চলছে তদন্ত।

এই ঘটনার পেশাগত কোনও শত্রুতা ছিল কী না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ। তিনি জানিয়েছেন, মুম্বই পুলিশ এ ব্যাপারে তদন্ত করবে।

একটী ট্যুইটে মন্ত্রী লিখেছেন, ‘পোস্টমর্টেম বলছে, সুশান্ত সিং রাজপুত আত্মহত্যা করেছে গলায় ফাঁস দিয়ে। কিন্তু মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, সুশান্তের ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনের পিছনে ছিল পেশাগত শত্রুতা। মুম্বই পুলিশ এই বিষয়ে তদন্ত করবে।

সোমবার মুম্বই পুলিশের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ৩৪ বছর বয়েসী এই অভিনেতার মৃত্যু হয়েছে গলায় দড়ি দেওয়ার ফলে অ্যাসফিকসিয়া (asphyxia) ঘটায়।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত তিন মাস ধরে বাড়িতেই নিজেকে বন্দি করে রেখেছিলেন সুশান্ত। এদিন সুশান্তকে খুনের তত্ব উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। প্রভিশনাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বান্দা পুলিশ স্টেশনে এদিন জমা দেন চিকিৎসকরা। তিন জন চিকিৎসকের একটি টিম সুশান্তের দেহের ময়নাতদন্ত করে বলে জানা গিয়েছে। মৃত্যুর প্রাথমিক তদন্তরিপোর্ট বলছে অ্যাসফিকসিয়া (asphyxia)-র ফলেই সুশান্তের মৃত্যু হয়েছে। যা মূলত গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার ফলেই হয়ে থাকে।

রবিবার রাতে তিন ঘন্টা ময়নাতদন্ত চলে বলে সূত্রের খবর। গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিং করা হয়। গলা জুড়ে কোনও শক্ত বাঁধনের স্পষ্ট দাগ রয়েছে, যা আত্মহত্যার তত্বকেই জোরালো করে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন প্রাথমিক রিপোর্ট জমা পড়লেও, সোমবার বিকেলের মধ্যেই পুরো রিপোর্ট জমা পড়বে।

পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে পরিষ্কার করে লেখা আত্মহত্যা করেছেন এই অভিনেতা। রবিবারও এক রিপোর্টে পুলিশ জানায়, আত্মহত্যার লক্ষণগুলিই দেখা যাচ্ছে প্রাথমিকভাবে। তদন্ত চলছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ