নয়াদিল্লি: চলতি বছরে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন৷ বাজেটের পক্ষেও যেমন অনেকে বলছেন, তেমনই এই বাজেট নিয়ে সমালোচনাও বিস্তার৷ দ্বিতীয় মোদী সরকারের প্রথম বাজেটকে দিশাহীন বলে অ্যাখ্যায়িত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সঙ্গে ছুঁড়ে দিলেন কটাক্ষ৷ ট্যুইটারে জানিয়ে দিলেন, ‘এটাই নির্বাচনের পুরস্কার৷’

পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ায় তা সাধারণ দেশবাসীর উপর প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি লিখেছেন, ‘পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ায় পরিবহণ খরচ বাড়বে। তার ফলে বৃদ্ধি পাবে শাক-সবজির দাম। ভোগান্তি হবে সাধারণ মানুষের৷’

মোদী-টু সরকারের বাজেটের কড়া সমালোচনা করলেন লোকসভায় কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী৷ তাঁর কাছে এই বাজেটের অর্থ পুরোনো বোতলে নতুন মদ ছাড়া আর কিছুই নয়৷ বাজেট পেশের পর অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, বাজেটে নতুন কিছুই নেই। সেই একই পুরনো প্রতিশ্রুতির পুনরাবৃত্তি।

অধীরের তোপ, ‘কেন্দ্র সরকার নতুন ভারতের কথা বলছে, অথচ এই বাজেট নতুন বোতলে পুরনো ওয়াইন। কিছুই নতুন নেই। এমনকী নতুন উদ্যোগ বা কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি নিয়েও কিছু বলা হয়নি। এমনকী তিনি এটাও বলেছেন যে, বাসন আছে, রেশন নেই।’‌ অর্থাৎ এককথায় মোদী সরকারের বাজেট দিশাহীন বলেই ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। ‌এভাবেই বিভিন্ন জন ২০১৯-এর বাজেটের সমালোচনা করছেন৷ আর এভাবে যাঁরা সমালোচনা করেছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী “Professional Pessimists” বলে কটাক্ষ করেছেন৷

মোদীর মতে, এই প্রফেশনাল পেসিমিস্টরা সাধারণ মানুষের থেকে অনেকটাই আলাদা৷ যদি একজন সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয় তাহলে সে সেই সমস্যার সমাধানে সাহায্য করবে৷ কিন্তু এই প্রফেশনাল পেসিমিস্টরা তা একেবারেই করবে না বরঞ্চ তারা হুমকির আশ্রয় নেবেন বলে মত মোদীর৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও