নয়াদিল্লি: করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকারের। সংক্রমণ রুখতে ভারতে কোন ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হবে তা ঠিক হলে করোনার সেই প্রতিষেধক সংগ্রহ থেকে শুরু করে সরবরাহের সব দায়িত্ব থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতেই।

কোনও রাজ্য সরকার আলাদা করে করোনার ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে পারবে না। দেশের প্রতিটি নাগরিকের সুরক্ষার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের। করোনার কোন ভ্যাকসিন ভারতে প্রয়োগ করা হবে সে ব্যাপারে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে কেন্দ্রীয় সরকারই দেশের কোনায়-কোনায় সেই ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নেবে।

মঙ্গলবার বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ঘোষণা করে রাশিয়া। পুতিনের দেশে তৈরি ওই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা সম্পর্কে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হওয়ার পরেই ওই ভ্যাকসিন প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেবে ভারত।

যদিও ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যমন্ত্রক করোনার প্রতিষেধক নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠন করেছে। বুধবার সেই দলের বৈঠকে ছিলেন নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য ভি কে পাল। বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ-সহ বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

করোনার কোন ভ্যাকসিন ভারতে প্রয়োগ করা হবে তা নিয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হলে কীভাবে তা সংগ্রহ ও বণ্টন করা হবে তা নিয়ে বৈঠক হয়। ভারতের প্রতিটি নাগরিকের সুরক্ষার স্বার্থেই ভ্যাকসিন সংগ্রহ ও বণ্টনে বাড়তি তৎপরতা নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।

সম্ভাব্য ভ্যাকসিন সরবরাহের কাজ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর কেন্দ্র। ঠিক হয়েছে, ভ্যাকসিন প্রয়োগ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা সংগ্রহ ও সরবরাহের দায়িত্ব থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতেই। দেশের কোনও রাজ্য নিজেদের মতো করে সম্ভাব্য ওই ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে পারবে না।

কেন্দ্রীয় সরকার দেশের কোনায়-কোনায় সেই ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নেবে। করোনার ভ্যাকসিন সংক্রান্ত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বিস্তারিত আলোচনা করেছে বিশেষজ্ঞ দল।

কোন ভ্যাকসিন দেশ গ্রহণ করবে সেটা ঠিক করবে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসারি গ্রুপ অন ইমিউনিজেশন। করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর দেশীয় সংস্থার পাশাপাশি বিদেশী সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়েও ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরির কাজ চালাবে ভারত।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও