স্বাগত নতুন বছর৷ ইংরাজি নববর্ষে শুভেচ্ছা৷ বর্ষবরণে মিশে থাকে আগামীর পথ চলার ভাবনা৷ এই লক্ষ্যে Kolkata 24×7 নতুন করে ভাবছে৷ এতে মিশে আছে ভবিষ্যৎ দেখার ইচ্ছে৷ আমরা এগিয়ে চলেছি, তাই পিছন ফিরে দেখা নয় আগামীকেই স্বাগত জানাচ্ছি৷ ২০১৮ সালের সম্ভাব্য কিছু ঘটনা তুলে ধরছি৷ বাংলা সংবাদমাধ্যমে এ এক ব্যতিক্রমী প্রচেষ্টা৷ দেশ থেকে বিদেশ, খেলা থেকে মেলা সমস্ত বিষয়ের সব খবর এক ক্লিকে৷ এই প্রতিবেদনে অর্থনীতির বিভিন্ন দিক…

1. ব্যাংকের সঙ্গে ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থার কোনও ফারাক থাকবে না

কেন্দ্র উদ্যোগী হয়েছে ফিনান্সিয়াল রেজলিউশন অ্যান্ড ডিপোজিট ইনসিওরেন্স (এফআরডিআই) বিলটি আনার৷ কিন্তু নয়া বিল আইনে পরিণত হলে ব্যাংকে গ্রাহক এবং আমানতকারীদের জমা টাকা কতটা নিরাপদ থাকবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ৷ বিতর্ক দানা বাধায় বিলটি বিবেচনার জন্য সংসদীয় যৌথ কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে ৷ আগামী বাজেট অধিবেশনে কমিটি এই বিষয়ে রিপোর্ট দিতে পারে৷

2. নতুন বছরে সংস্কারে লাগাম দেবে মোদী সরকার

২০১৭ সালের শেষ লগ্নে গুজরাত এবং হিমাচল প্রদেশের বিধানসভায় বিজেপি জিতলেও গুজরাতে আশানুরূপ ফল হয়নি৷ সংস্কারের পথে হাঁটা যে জনগণ ভাল ভাবে নিচ্ছে না এটা তারই প্রতিফলন ভেবে উল্টো পথে হাঁটতে চাইবে এবার এই সরকার৷

3. মোদী সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হবে ২০১৮ সালে

২০১৯ সালে ফের লোকসভা ভোট ৷ ফলে প্রথা অনুযায়ী ওই বছর ভোটের আগে অন্তরবর্তী বাজেট পেশ হওয়ার কথা তারপর নির্বাচনের পরে নতুন সরকারে পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে ৷ অতএব এই সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হবে ২০১৮ সালে৷

4. ২০১৮ সালের বাজেট হতে পারে জনমোহিনী


লোকসভা ভোটের আর বেশি দেরি নেই৷ ২০১৯ সালেই ভোট ৷ এবারে ভোটের কথা মাথায় রেখে জনমনোরঞ্জনের দিকেই যাবে মোদী সরকার৷ ২০১৮ সালে শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করার সুযোগ পাওয়ায় সেখানে কোনও কঠোর সিদ্ধান্তে নিতে চাইবে না বরং নজর এমন কিছু করার যাতে জনপ্রিয়তা বাড়ে৷

5. রিজার্ভ ব্যাংক ২০০০টাকার নোট তুলে নিতে পারে

রিজার্ভ ব্যাংক ২০০০টাকার নোট ফিরিয়ে নিতে পারে অথবা বড় অংকের নোট ছাপান বন্ধ করতে পারে৷ এমনই ইঙ্গিত মিলেছে এসবি রিসার্চ রিপোর্টে৷ কারণ যেভাবে বড় অংকের নোটের বদলে ছোট অংকের নোট ছাপানোর দিকে নজর দেওয়া হয়েছে তা থেকেই এমন উপসংহার টানতে চেয়েছে ওই রিপোর্ট৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I