মুম্বই: গত বছরের জুন মাস। নিদের ফ্ল্যাটে আত্মহত্যা করেন অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত। এদিন, তাঁর ৩৫ তম জন্মদিনে ভাইকে স্মরণ করলেন দিদি প্রিয়াঙ্কা সিং।

বৃহস্পতিবার ছিল সুশান্তের ৩৫ তম জন্মবার্ষিকী। এদিন একটি দীর্ঘ নস্টালজিক পোস্ট করেন প্রিয়াঙ্কা। সেখানেই তিনি তাঁর প্রয়াত ভাইকে স্মরণ করেন। প্রিয়াঙ্কা পেশায় আইনজীবী। সোশ্যাল সাইটে তিনি নিজের এবং সুশান্তের একটি ভিডিও শেয়ার করেন।

ক্যাপশনে লেখেন, তাঁদের বেড়ে ওঠা বছরগুলি থেকে বিভিন্ন ছবির কোলাজ নিয়ে বানানো হয়েছে ভিডিওটি। ক্যাপশনে তিনি তাঁর ভাই সুশান্তকে “আমার গর্ব, আমার পরিবর্তিত অহং” বলে সম্বোধন করেছেন। লিখেছেন, “আমার ভাই, আমার গর্ব, আমার পরিবর্তিত অহংকার, যবে তুমি জন্মগ্রহণ করো আমরা তোমাকে আমাদের ভাই হিসাবেই ভাবিনি। তুমি ছিলে আমাদের প্রিয় বন্ধু, নিবেদিতপ্রাণ সঙ্গী।”

প্রিয়াঙ্কা আরও লিখেছেন, “আগে যখনই তুমি চলে গিয়েছিলে, বারবার ফিরে এসেছিলে। এবার যখন চলে গেলে… এত দৃঢ়তার সঙ্গে ফিরে এসেছিলেন যে আমার প্রতিটি শ্বাসে এখন তুমিই থাকো। তোমার গভীর চোখ এবং সৌম্য নির্দোষ হাসি আমার সহচর। আমার প্রতিটি চিন্তায় তোমার উপস্থিতি থাকে।”

জি রিশতে অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে কিছুদিন আগে সুশান্তকে বিশেষ ট্রিবিউট দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানেই সুশান্তের প্রাক্তন প্রেমিকা অঙ্কিতা লোখান্ডে প্রয়াত অভিনেতাকে মনে করে ভেঙে পড়েন।

পবিত্র রিশতা ধারাবাহিতে একসঙ্গে অভিনয় করতে করতেই সম্পর্ক শুরু হয় সুশান্ত ও অঙ্কিতার। সেই ধারাবাহিকের টাইটেল ট্র্যাকে এদিন নাচেন অঙ্কিতা লোখান্ডে। এছাড়াও সুশান্তের জনপ্রিয় ছবিগুলির কয়েকটি হিট গানেও নাচতে দেখা যায় তাঁকে।

এত আনন্দ, আলোর মধ্যেও যে কতটা শূন্যতা রয়েছে তা বোঝা যায় যখন অঙ্কিতা সুশান্ত সম্পর্কে কথা বলতে শুরু করেন। গলা ধরে আসে অঙ্কিতার। চোখে জল নিয়ে অঙ্কিতা বলেন, এখন প্রতিটা দিন শান্ত কারণ প্রতিটি দিনের মধ্যে সুশান্ত রয়েছে। কখনও ভাবিনি যে প্রতিদিন চাঁদ ও তারার ব্যাপারে কথা বলত, সে নিজেই একদিন চাঁদ তারার সঙ্গে কথা বলতে চলে যাবে।

কখনও ভাবিনি যাঁকে দেখে মানুষ স্বপ্ন দেখা শিখত, তাঁকে দেখতে পাওয়াই একটা স্বপ্ন হয়ে যাবে। সুশান্ত আজ তোমায় সবাই মনে করছে। আমাদের সম্পর্ক শুধু পবিত্রই নয়। অমর। আমি কখনও ভাবিনি এই দিনটা আসবে আর আমি এগুলো বলব। তোমায় খুব মনে পড়ে সুশান্ত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।