নিউইয়র্ক: বিশ্বের প্রতিটি মানুষ এখন করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে কাঁপছে। তারকারাও ব্যতিক্রম নন। প্রত্যেকেই ঘরবন্দি। অন্যান্য অনেক মানুষের মতোই কোভিড ১৯ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন রয়েছে অভিনেত্রী প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার মনেও। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিকিৎসক ও ডিরেক্টরের সঙ্গে কথা বললেন অভিনেত্রী। আর সেই কথোপকথনের ভিডিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন প্রিয়ঙ্কা।

ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে প্রিয়ঙ্কা লেখেন, কোভিড ১৯ নিয়ে অনেক রকমের তথ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু আমরা পরিষ্কার কিছু কথা জানতে চাই। ফ্রন্টলাইনে থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যে চিকিৎসকরা পরিষেবা দিচ্ছেন তারা এখানে কিছু উত্তর দিয়েছেন। ডক্টর মারিয়া ভ্যান কেরখোভ ও ডক্টর টেড্রোসের সঙ্গে এই লাইভ ভিডিওটি সময় নিয়ে দেখুন।

প্রিয়ঙ্কা জানান সাধারণ মানুষের থেকে আসা কিছু প্রশ্নই তিনি করবেন। প্রথম প্রশ্নটি আসে তাঁরই স্বামী নিক জোনাসের থেকে। নিকের প্রশ্নটি হলো, আমি টাইপ ওয়ান ডায়াবেটির আর প্রিয়ঙ্কার হাঁপানি রয়েছে। আমাদের ক্ষেত্রে কি এই রোগ আরও বেশি ঝুঁকি বহুল! এর উত্তরে চিকিৎসকরা জানান, আপনারা বাড়িতে থেকে যে ভাবে সাবধানতা অবলম্বন করছেন, তাতে আপনাদের কোনও ভয় নেই। কিন্তু যাঁরা সেটা করছেন না তাঁদের ভয় আছে।

প্রিয়ঙ্কা এর পরে জিজ্ঞাসা করেন এই ভাইরাস কি এয়ার বোন বা হাওয়ায় ভেসে সংক্রমণ ছড়াতে পারে? এর উত্তরে চিকিৎসকরা জানান, এই ভাইরাস মোটেই এয়ারবোন নয়। সারফেসে এই ভাইরাস থাকতে পারে। কিন্তু তার মানে সারফেস স্পর্শ করলেই যে এই রোগে সংক্রমিত হবেন এর কোনও মানে নেই। ওই হাত মুখে বা নাকে, চোখে যাতে না লাগে তা দেখতে হবে। তাই হাত ধুতে হবে ঘন ঘন।

এর পরে প্রিয়ঙ্কা জিজ্ঞাসা করেন, অতিরিক্ত তাপমাত্রায় কি এই ভাইরাস সক্রিয় নয়? এর পরে চিকিৎসকরা উত্তরে বলেন বিভিন্ন ধরনের জলবায়ু যেমন চিন ও সিঙ্গাপুরে এটি সক্রিয় থেকেছে। কিন্তু বেশি তাপমাত্রায় এটি অচল হবে কি না তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে এই রোগের টিকা আবিষ্কারের জন্য গবেষণা ও কাজ চলছে। ১২ থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

প্রসঙ্গত কোভিড ১৯ নিয়ে আরও একটি ভিডিও কিছুদিন আগেই পোস্ট করেছিলেন পিগি চপস। প্রিয়াঙ্কা বলছেন, আমি আশা করছি আপনারা সবাই সাবধানে আছেন। আমি সবাইকে ভালো বলতে এলাম। এই সময়টা পাগলের মত আর আমাদের সবার জীবনযাপনে পুরো বদলে দিয়েছে। যেন মনে হচ্ছে কোন সিনেমা চলছে। কিন্তু আসলে তা নয়। নিকো আমি বিগত আট দিন ধরে সেল্ফ আইসোলেশন করে আছি। আমাদের রোজকার শিডিউল খুব সাংঘাতিক থাকে আর প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশে প্রচুর মানুষ থাকে। কিন্তু হঠাৎ করে সব বদলে যাওয়ায় পাগলের মতন মনে হচ্ছে। আমি জানি আপনাদের ও একই রকম মনে হচ্ছে। আমরা সবাই যথাযথ সাবধানতা অবলম্বন করছি এখন। আমরা সাবধানে আছি আমরা সুস্থ আছি এবং আমরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার অভ্যাস করছি।

উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬২। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ