নয়াদিল্লি: দাদার পাশে আগেও দাঁড়িয়েছিলেন৷ দাদার এক অনুরোধে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগ দিয়েছিলেন কংগ্রেসে৷ হাল ধরতে চেয়েছিলেন দলের৷ তবে সফল না হলেও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর ভাবমূর্তি দলে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়েছিল৷ এবারও কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে রাহুল গান্ধীর ইস্তফার পরে দাদার পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা দিলেন প্রিয়াঙ্কা৷

বৃহস্পতিবার ট্যুইট করে প্রিয়াঙ্কা বলেন হারে অনেকেই৷ কিন্তু তা মেনে নিয়ে সেই দায়ভার কাঁধে তুলে নেওয়ার ক্ষমতা সবার থাকে না৷ কিন্তু রাহুল গান্ধী যেটা করে দেখালেন, তার জন্য সাহস দরকার৷ রাহুলের পদত্যাগের পর এই প্রথম মুখ খুললেন বোন প্রিয়াঙ্কা৷ ছোট্ট অথচ আবেগে ভরপুর বার্তা দিলেন দাদাকে৷

বুধবারই ট্যুইটারে নিজের পদত্যাগ পত্র পোস্ট করেন রাহুল গান্ধী৷ জানিয়ে দেন অবশেষে লোকসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির দায় নিয়ে তিনি পদত্যাগ করছেন৷ অবশ্য তিনি একা নন, এর দায়ভার বর্তায় দলের আরও বেশ কয়েকজনের ওপরেও, এমনই জানিয়েছিলেন তিনি৷

বুধবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, “বিলম্ব না করে খুব শীঘ্রই কংগ্রেস পার্টি নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করবে।” এই নতুন সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই তিনি থাকবেন না বলে জানিয়েছেন রাহুল।

এদিকে, বৃহস্পতিবারই মানহানির মামলায় মুম্বইয়ের মাজগাঁও আদালতে হাজিরা দেন সদ্য প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই তাঁকে সমন পাঠিয়েছিল আদালত। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের কারণে তিনি কিছু সময় চেয়েছিলেন। রাহুলের সেই আবেদন মঞ্জুর করেছিল আদালত।

এর আগে, রিপোর্ট জানিয়েছিল রাহুল গান্ধীর নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজিকে ডুবিয়েছে দলের কোর কমিটিই৷ ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে প্রজেক্ট করাই সব থেকে বড় ভুল ছিল বলে জানাচ্ছে রিপোর্ট৷ কোর কমিটির রিসার্চ অনুযায়ী নির্বাচনে ১৬৪-১৮৪টি আসন পাবে কংগ্রেস, এই তথ্যও ভুল ছিল৷ ফলে এই সব বিভ্রান্তিকর তথ্যে রাহুল গান্ধীর স্ট্র্যাটেজিও মার খায়৷

বলা হয়, রাহুল গান্ধীর অন্যতম ঘনিষ্ঠ প্রবীণ চক্রবর্তী ও দিব্যা স্পন্দনাও লোকসভা নির্বাচনের সময় অজ্ঞাতবাসে চলে যান, যা বড়সড় ক্ষতি করে দলের৷ রিপোর্ট অনুযায়ী, অখিলেশ যাদব, এম কে স্ট্যালিন, ওমর আবদুল্লাহ, শরদ পাওয়ারের মতো শরিকদের সঙ্গেও অনেক পরে আলোচনায় বসেন৷ যা পরিকল্পনায় ধাক্কা দিয়েছিল৷ কংগ্রেসের কোর কমিটিই ভুল বুঝিয়েছিল রাহুলকে, জানায় রিপোর্ট৷

বুধবার এদিন চার পাতার একটি ছবি ট্যুইটারে পোস্ট করে পদত্যাগের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন রাহুল গান্ধী। সেখানে স্পষ্টভাবে বলেন, ‘লোকসভা নির্বাচনে হারের দায় আমার এবং অনেকেরই। তবে আমি অন্যদের দায় দিতে পারি না। সভাপতি হিসেবে আমি দায় নিতে পারি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.