ফাইল ছবি৷

নয়াদিল্লি : আইসোলেশনে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। এক ট্যুইট বার্তায় নিজেই এই খবর জানিয়েছেন রাজীব কন্যা। জানা গিয়েছে করোনা থাবা বসিয়েছে প্রিয়াঙ্কার পরিবারে। করোনা আক্রান্ত হয়েছে প্রিয়াঙ্কার স্বামী রবার্ট ভডরা। স্বামী করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরেই নিজেকে আইসোলেশনে রেখেছেন প্রিয়াঙ্কা।

কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী শুক্রবার থেকে নিজের বাড়িতেই সেল্ফ আইসোলেশনে রয়েছেন বলে খবর। সবরকম রাজনৈতিক প্রচার থেকে সাময়িক বিরতি নিয়েছেন তিনি। যদিও তাঁর টেস্ট রিপোর্ট নেগেটিভ। তবু চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো তিনি বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন।

চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। সেই সব রাজ্যে রাজনৈতিক প্রচারের একাধিক কর্মসূচি ছিল প্রিয়াঙ্কার। সেসবই আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে চিকিৎসকদের পরামর্শে। ট্যুইট করে প্রিয়াঙ্কা তাঁর অনুগামীদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন। তামিলনাড়ু, কেরল বা অসমে যে প্রচারে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তাঁর, সেবই বাতিল করতে হচ্ছে সংক্রমণের ভয়ে।

এদিকে, এর আগে রবার্ট ভডরা ফেসবুকে জানান তিনি করোনা আক্রান্ত। এক ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার ফলেই তিনি আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও তিনি অ্যাসিম্পট্যোম্যাটিক। তবু তাঁর সংস্পর্শে যাঁরা যাঁরা এসেছেন, তাঁদের করোনা পরীক্ষা করিয়ে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। তিনি ও তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সেল্ফ আইসোলেশনে রয়েছেন বলে জানিয়ে ছিলেন ভডরা। তবে তাঁর স্ত্রীর রিপোর্ট নেগেটিভ বলে জানিয়েছেন রবার্ট ভডরা।

শুক্রবার জানা যায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। আলিয়া ভাট নিজে কোথাও আপাতত তার করোনা হয়েছে এমন কথা প্রকাশ করেননি। কিন্তু ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজের সাধারণ সভাপতি অশোক দুবের সূত্রে এ খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার,গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’-র শুটিং তাড়াতাড়ি প্যাক করা হয়েছিল। তার কারন জানতে, অশোক দুবে এক টেকনিশিয়ানের সঙ্গে কথা বলেন। তার পরে অশোক দুবে আর এক টেকনিশিয়ানকে ফোন করে জানতে পারেন, আলিয়া করোনা পজিটিভ। আগামী ১০ দিনের জন্য ফের এই ছবির শ্যুটিং বন্ধ করা হচ্ছে। যতদূর জানা যাচ্ছে আলিয়া ভাট আপাতত হোম আইসোলেশন এ আছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.