ওয়েলিংটন: ইতিহাসে প্রথমবার। এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা হলেন নিউজিল্যান্ডের মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডেনের মন্ত্রিসভাব স্থান পেয়েছে পাঁচ নতুন মন্ত্রী। আর তাঁদের মধ্যেই জায়গা করে নিয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রিয়াঙ্কা।

দু’সপ্তাহ আগেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছেন জেসিন্ডা আর্ডের্ন। আর তারপর সোমবার নিজের মন্ত্রিসভায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক মহিলাকে জায়গা করে দিয়ে নতুন নজির সৃষ্টি করলেন তিনি।

এই প্রথম কোনও ভারতীয় মন্ত্রী হলেন নিউজিল্যান্ডে। তাই এই ঘটনা নজিরবিহীন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার প্রিয়াঙ্কা রাধাকৃষ্ণন ছাড়া আরও চারজনকে নিজের মন্ত্রিসভায় জায়গা দিয়েছেন জেসিন্ডা। তাঁদের মধ্যে প্রিয়াঙ্কা নিজের কর্মজীবনে অসহায় মানুষদের জন্যই কাজ করেছেন। বিশেষত গার্হস্থ্য নির্যাতনের শিকার হওয়া মহিলা ও বঞ্চিত হওয়া পরিযায়ী শ্রমিকদের অধিকারের জন্য লড়াই করতেন তিনি।

প্রিয়াঙ্কা আদতে কেরলের পারাভুরের বাসিন্দা ছিলেন। তবে সিঙ্গাপুরে স্কুলের পড়া শেষ করেন প্রিয়াঙ্কা। তারপর উচ্চশিক্ষার জন্য নিউজিল্যান্ডে গিয়ে সেখানকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। আর লেবার পার্টিতে যোগ দেওয়ার পর ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিউজিল্যান্ডের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন। আর ২০১৯ সালে নিযুক্ত হন মিনিস্টার ফর এথনিক কমিউনিটির পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি পদে।

বর্তমানে অকল্য়ান্ডে স্বামীর সঙ্গে থাকেন প্রিয়াঙ্কা। নতুন মন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘কয়েকজন নতুন প্রতিভাকে আনতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত…’’। আগামী শুক্রবার শপথগ্রহণ করবেন নতুন এগজিকিউটিভরা।

এদিন প্রিয়াঙ্কার সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলজা।

উল্লেখ্য়, দেশ থেকে করোনাকে তাড়িয়ে বিশ্ব দরবারে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন নিউজিল্য়ান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। করোনা বধের সাফল্য়ের জোয়ারে এবার সে দেশের সাধারণ নির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়ে আবারও ক্ষমতায় ফেরেন জেসিন্ডা। নির্বাচনে ঐতিহাসিক সাফল্য় পায় জেসিন্ডার দল লেবার পার্টি। প্রিয়াঙ্কার সাফল্যে এদিন অভিনন্দন জানিয়ে

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।