মুম্বই:  বন্ধুকে রিপ্লাই করতে গিয়ে ইমোজিতে আপনি মজা করে হামেশাই চোখ মারেন৷ রিয়েল লাইফে শেষ কবে কাউকে চোখ মেরেছেন, মনে পড়ে?

স্মৃতির পাতা উল্টানোর দরকার নেই৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় বছরখানেক আগে হট কেকের মতো ভাইরাল হয়ে যাওয়া ভিডিও দেখলেই মনে পড়ে গিয়েছিল যে আপনার শেষ চোখ মারার স্মৃতি৷ আর সেই স্মৃতি ধরে নস্ট্যালজিয়ায় ভেসে যেতেও পারেন আপনি৷ মনে পড়ে যেতে পারে প্রথম কবে প্রেমিকার চোখের দিকে চেয়ে চোখ মেরে দুষ্টু ইশারা করেছিলেন৷

গত কয়েক বছরখানেক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকটিভ নেটিজেনেকে অবশ্য নসট্যালজিক করে দিয়েছিলেন এক সুন্দরী স্কুল গার্ল৷ দু’চোখের হালকা দুলুনিই মনে মনে করিয়ে দিয়েছিল অনেকের অনেক কিছু৷ ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ধরা পড়ে ছিল স্কুলবয়ের চোখের ইশারায় চোখ মেরে উত্তর দিচ্ছেন সুন্দরী স্কুলগার্ল৷ কখনও ডান কখনও বা বাম ভ্রু নাচিয়ে শুরুতে সৌজন্য বিনিময়, এরপর একেবারে সটাং বাম চোখটা টিপে দুষ্টু ইশারায় চোখ মারে মেয়েটি৷ এতেই ঝড় বয়ে গিয়েছিল ফেসবুকে৷ কয়েক ঘণ্টাতেই ভাইরাল সেই ভিডিও৷ সেই মহিলা ছিলেন প্রিয়া প্রকাশ ওয়েরিয়ার। নতুন করে ফের একবার সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল প্রিয়া। তাও আবার চোখ মারাতে। দেখুন সেই ভিডিও-

 

বছরখানেক আগে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখেই অনেকে নিজেদের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করে কেউ লিখেছিলেন, ‘মনে পড়ে গেল ছোটবেলার সেই সব দিনের কথা। সেই সব দিন আর কখনও ফিরে আসবে না।’ কেউ আবার লিখে ছিলেন, এভাবে আজ আর কেউ চোখ মারে না৷ নস্ট্যালজিক হয়ে অনেকে আবার নিজেদের প্রথম চোখ মারার অভিজ্ঞতার কথা উল্ল্যেখ করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে৷

এরপর জানা যায় ভিডিওটি আসলে ছিল ‘ওরু আদার লাভ’ নামে এক দক্ষিণী সিনেমার গানের ভিডিও। গানের নাম ছিল মাণিক্য মালারায়া পুভি। গানটি ইউটিউবে ট্রেন্ডিংয়ের তালিকায় উঠে আসে ১৭ নম্বরে৷ আর যার চোখের চাউনিতে কুপোকাত হাজারও নেটিজেন তাঁর আসল নাম প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়র।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।