নয়াদিল্লি: ২০২১-২২ বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছিলেন, সরকার বিলগ্নিকরণের মাধ্যমে ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা জোগাড় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।সেই কারণে বেসরকারিকরণের পথে হাঁটবে কেন্দ্র। আইডিবিআই ব্যাঙ্ক ছাড়াও আগামী অর্থবর্ষে আরও কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের বেসরকারীকরণ করা হবে। যদিও কোন সরকারি ব্যঙ্কগুলি বেসরকারিকরণ হবে তার নাম বলেননি তিনি।

সূত্রের খবর, আগামী ১৪ এপ্রিল, বুধবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নীতি আয়োগের বৈঠক হতে চলেছে। চার থেকে পাঁচটি সরকারি ব্যঙ্কের নাম থাকতে পারে বেসরকারিকরণের প্রস্তাবিত তালিকায়৷ পাঁচটি নামের মধ্যে থেকে দুটি নাম এই বৈঠকে স্থির করা হবে৷ বেসরকারিকরণের তালিকায় ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্র, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের নাম থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাঙ্ক গ্রাহকদের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের মনেও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে, কোন দু’টি সরকারি ব্যাঙ্ককে এ বার বেসরকারিকরণ করা হতে পারে।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্কের বেসরকারিকরণের পথ মসৃণ করতে আইন সংশোধনের পথে কেন্দ্র। চলতি বছরের শেষের দিকে দুটি আইন সংশোধন করা হতে পারে। ব্যাঙ্ক বেসরকারিকরণের জন্য ১৯৭০ এবং ১৯৮০ সালের ব্যাঙ্কিং কোম্পানি আইন সরকারকে সংশোধন করার প্রয়োজন হতে পারে।

ব্যাঙ্ক বেসরকারিকরণের প্রভাব অ্যাকাউন্টে কতটা পড়বে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে গ্রাহকদের মনে। তবে বাজেটে কেন্দ্রের এই ঘোষণার পরই ব্যাঙ্কের শেয়ার দর বাড়তে শুরু করেছে বাজারে।নীতি আয়োগের তথ্য অনুযায়ী স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ছাড়া বেশ কিছু এমন ব্যাঙ্ক আছে বিগত বছরগুলিতে অন্য সরকারি ব্যাঙ্কগুলি মিশে গিয়েছে ৷ সেই ব্যাঙ্কগুলির বেসরকারিকরণ হবেনা ৷

রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্ক বেসরকারিকরণ ও নয়া ব্যাঙ্কিং নীতি। এই দুইয়ের প্রতিবাদে সরব হয়েছে দেশের ব্যাঙ্ককর্মী সংগঠনগুলি। তাদের দাবি,রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্ক শিক্ষিত যুবসমাজের জন্য একটি স্থায়ী নির্ভরযোগ্য চাকরির জায়গা। পাইভেট ব্যাঙ্কগুলোর চাকরির স্থিরতা নেই। তাই ব্যাঙ্ক প্রাইভেট করা হলে দেশের কমবয়সী চাকুরিজীবীরা ভবিষ্যতে সঙ্কটে পড়বেন।কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, সারা দেশের সমস্ত ব্যাঙ্কের বেসরকারিকরণ হবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.