জয়পুর: সঞ্জু স্যামসনের নজির ভেঙে বিজয় হাজারে ট্রফিতে সর্বাধিক রানের নজির গড়লেন পৃথ্বী শ। পুদুচেরির বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার ১৫২ বলে কেরিয়ার বেস্ট ২২৭ রানের ইনিংস খেললেন মুম্বইকার ব্যাটসম্যান। এর আগে ২০১৯ গোয়ার বিরুদ্ধে কেরলের জার্সি গায়ে ২১২ রানের ইনিংস খেলেছিলেন সঞ্জু স্যামসন। যা এতদিন এই টুর্নামেন্টে ছিল সর্বাধিক রানের ইনিংস। এদিন সেই নজির ভেঙে নয়া নজির গড়লেন পৃথ্বী।

উল্লেখ্য, দেশের জার্সি গায়ে সাম্প্রতিক সময়ে অফ ফর্মে থাকা পৃথ্বী চলতি ইংল্যান্ড সিরিজে দলে সুযোগ পাননি। তাই ভারতীয় দল যখন মোতেরায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে, ঠিক সেসময় জয়পুরে খানিকটা অলক্ষ্যেই ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন টিম ইন্ডিয়া ওপেনার। উল্লেখ্য, চলতি বিজয় হাজারে ট্রফিতে আর আগে দিল্লির বিরুদ্ধে অপরাজিত ১০৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন পৃথ্বী। তবে কেরিয়ারে এটি তাঁর প্রথম লিস্ট এ কেরিয়ারের দ্বিশতরান।

পৃথ্বীর অপরাজিত ২২৭ রানের ইনিংস এদিন সাজানো ছিল ৩১টি চার এবং ৫টি ছয় দিয়ে। সপ্তম ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে এদিন লিস্ট এ দ্বিশতরান হাঁকালেন পৃথ্বী। এর আগে সচিন তেন্ডুলকর, বীরেন্দ্র সেহওয়াগ, রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান, সঞ্জু স্যামসন এবং যশস্বী জয়সওয়ালের ঝুলিতে লিস্ট এ দ্বিশতরানের নজির রয়েছে। ওপেনার পৃথ্বী ছাড়াও এদিন সূর্যকুমার যাদবের ৫৮ বলে ১৩৩ রানের ইনিংসে ভর করে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪৫৭ রানের বিশাল রান খাড়া করে মুম্বই। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তারকার বিধ্বংসী ইনিংস সাজানো ছিল ২২টি চার এবং ৪টি ছয় দিয়ে।

পাহাড়প্রমাণ রান তাড়া করতে নেমে ৩৮.১ ওভারে মাত্র ২২৪ রানেই গুটিয়ে যায় পুদুচেরি। বল হাতে মুম্বইয়ের জয়ের নায়ক প্রশান্ত সোলাঙ্কি। ১০ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন শার্দুল ঠাকুর এবং তুষার দেশপান্ডে। পুদুচেরির হয়ে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক দামোদরন রোহিত। ৬৮ বলে ৬৩ রান করেন তিনি। ৪৩ রান করেন সাগর ত্রিবেদী। কিন্তু মুম্বইয়ের বিশাল রানের সামনে হালে পানি পাননি আর কোনও বিপক্ষ ব্যাটসম্যান। সবমিলিয়ে ২৩৩ রানে বিরাট জয় পেয়ে মাঠে ছাড়ে মুম্বই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।