মুম্বই: অস্ট্রেলিয়া সফরে (Australia tour) খারাপ ফর্মের কারণে ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। কিন্তু আইপিএল শুরুর আগে বিজয় হাজারে ট্রফিতে (Vijay Hazare Trophy) এক মরশুমে আটশোরও বেশি রান করে ইতিহাস গড়েন৷ তারপর আইপিএলেও ব্যাট হাতে নজির গড়েন৷ তবুও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল (WTC Final) এবং ইংল্যান্ডে সফরের দলে জায়গা পাননি পৃথ্বী শ (Prithvi Shaw)৷ এতে হতাশা প্রকাশ করেন প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচক (Former selector) শরণদীপ সিং (Sarandeep Singh)৷

অস্ট্রেলিয়া সফরে টেস্টে ভারতীয় দলে ফার্স্ট-চয়েস ওপেনার ছিলেন পৃথ্বী৷ কিন্তু প্রথম টেস্টে অ্যাডিলেড ওভালে চূড়ান্ত ব্যর্থ হওয়ার পর মেলবোর্নে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট থেকে বাদ পড়েন তিনি৷ তাঁর পরিবর্তে দলে সুযোগ পান শুভমন গিল (Shubman Gill )৷ পঞ্জাবের এই প্রতিশ্রুতিময় ব্যাটসম্যান অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সুযোগটা কাজে লাগানোয় ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড সিরিজেও দলে জায়গা হয়নি পৃথ্বীর৷ আসন্ন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ টেস্টের সিরিজেও দলে ঠাঁই হয়নি মুম্বইয়ের এই প্রতিশ্রুতিময় ডানহাতি ব্যাটসম্যানের৷

গত বছর তিনটি টেস্টে মাত্র ১০২ রান করেছিলেন পৃথ্বী৷ গড় মাত্র ১৭৷ ফলে টেস্ট দল থেকে বাদ পড়েন তিনি৷ সে সময় জাতীয় দলের নির্বাচক ছিলেন শরণদীপ৷ পৃথ্বী’র প্রতিভার প্রশংসা করে ওর মধ্যে বীরেন্দ্র সেহওয়াগের (Virender Sehwag) মতো দক্ষতা রয়েছে বলেন মনে করেন প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচক৷ শরণদীপ বলেন, ‘পৃথ্বী’র মধ্যে সেহওাগের মতো দক্ষতা রয়েছে৷ সুতরাং ওর কেরিয়ারকে এখনই সাইডলাইন করা ঠিক হবে না৷ অস্ট্রেলিয়া সফরের দল থেকে থেকে বাদ পড়ার পর ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রচুর রান করেছে৷ টেকনিকে উন্নতি করে আইপিএলেও রান করেছে৷ পৃথ্বী এবং শুভমন গিলের মতো প্রতিভাকে আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে৷’

স্থগিত হওয়ার আগে ২০২১ আইপিএলে ৮ ম্যাচে পৃথ্বীর ব্যাট থেকে এসেছে ৩০৮ রান। গড় ১৬৬.৪৮৷ তিনটি অর্ধশতরান করা পৃথ্বী চতুর্দশ আইপিএলে ফর্মের শিখরে ছিলেন। তবে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ইংল্যান্ড সফরে পৃথ্বী’র বাদ পড়ার কারণ হিসেবে তাঁর অতিরিক্ত ওজনকে দায়ী করেছেন নির্বাচকেরা। ওজন কমালে তবেই ফের জাতীয় দলের জন্য ভাবা হবে পৃথ্বীর নাম, মুম্বই ব্যাটসম্যানকে নির্বাচকেরা এমনটাই বার্তা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ‘রানিং বিট্যুইন দ্য উইকেট’ এবং অতিরিক্ত ওজনের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরে পৃথ্বী’র খারাপ ফিল্ডিংও নির্বাচকদের ভাবিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.