নয়াদিল্লি: আশ্চর্য ঘটনা! পুলিশের নজর এড়াতে আস্ত মোবাইল গিলে ফেলল জেলবন্দি কয়েদী। ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির তিহার জেলে। জানা গিয়েছে, ওই কয়েদীর পাকস্থলী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ছোট্ট একটি চায়না মোবাইল। এই ঘটনা প্রমাণ করে তিহার জেলে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে মোবাইলের চোরাকারবারি।

খবর ছিল, বেশ কিছুদিন ধরে জেলের ভিতর থেকেই মোবাইল পাচার অর্থাৎ মোবাইলের চোরাকারবার চালাচ্ছে কিছু জেলবন্দি কয়েদী। জেলের বাইরে থেকে মোবাইল পাচার হয়ে চলে আসছে জেলের ভিতরে। এই খবর পেয়েই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। জেল পরিদর্শনে যায়। এদিকে, পাচারকারী জেলবন্দীদের দলের এক সদস্য পুলিশের নজর এড়াতে গিলে ফেলে আস্ত একটি মোবাইল! যে ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

সংবাদ সংস্থা আইএএনএস-এর দেওয়া খবরের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, তিহার জেলের ৪ নং ঘরের কয়েদী অভিযুক্ত। মোবাইলটি গিলে ফেলার পর চিকিৎসকরা বমির মাধ্যমে তার শরীর থেকে সেটি বের করে আনেন। গত সপ্তাহে এমনই একটি চমকপ্রদ ঘটনার খবর মিলেছে। এক বন্দী প্লাস্টিকের মোড়কযুক্ত চারটি মোবাইল ফোন গিলে ফেলে। তিনটি ফোন বমির মাধ্যমে বের করে আনা হয়। তারপরেও সেই বন্দী নিদারুণ ব্যাথায় তুমুল চিৎকার জুড়েছিলেন। তার কারণ চারটির মধ্যে ৩ টি মোবাইল তার পেট থেকে বমির মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে এলেও একটি মোবাইল বন্দীর মলদ্বারে আটকে ছিল। চিকিত্সকরা অস্ত্রোপচার করে সেটি বের করে আনতে সচেষ্ট হন।

আইএএনএস-এর দেওয়া খবরের ভিত্তিতে আরও জানা গিয়েছে, তিহার জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নবতম ডিরেক্টর জেনারেল সন্দীপ গয়াল কারাগারে বন্দী মোবাইল ফোন সরবরাহকারী চক্রের সিন্ডিকেট ধরার পিছনে বিশেষ জোর দিয়েছিলেন। যার ফল স্বরূপ জেল থেকে উদ্ধার হয়ে চলেছে একের পর এক মোবাইল ফোন। এই মাসের শুরুর দিকেই তিনি জেলের মেডিটেশন ওয়ার্ডে একটি অত্যাধুনিক সেল ফোন পেয়েছিলেন। দুপুর তিনটের দিকে মোবাইল ফোনটি চার্জ দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। টিভির প্লাগ পয়েন্টে সেটি চার্জ দেওয়া অবস্থায় পুলিশের বিশেষ তল্লাশি দল অভিযান চালিয়ে সেটি উদ্ধার করে।