লন্ডন: কোভিড-১৯ -এর কিছু উপসর্গ দেখা দেওয়ায় ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের পরামর্শ অনুসারে প্রিন্স চার্লস যিনি সেল্ফ আইসোলেশনে থাকছিলেন, তিনি এখন সুস্থ বলে তার অফিস থেকে জানানো হয়েছে। ক্লেরেন্স হাউস আরও জানিয়েছে ,প্রিন্স অব ওয়েলস এর সুস্থ হওয়ার পিছনে আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথিক কোনও চিকিৎসা করা হয়েছিল বলে যে দাবি করা হয়েছিল তা মিথ্যা।

কেন্দ্রীয় আয়ুষ প্রতিমন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক গত সপ্তাহে দাবি করেছিলেন, আইজ্যাক মাথাই যিনি ব্যাঙ্গালুরুতে সৌকিয়া আয়ুর্বেদ রিসোর্ট চালান তার কাছে দাবি করেছিলেন,প্রিন্স চার্লসের উপর আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথি ‌ চিকিৎসা সফল হয়েছে।

কিন্তু ক্লেরেন্স হাউজের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওই তথ্য একেবারে ভুল। প্রিন্স অব ওয়েলস ইউকের এনএইচএস-এর পরামর্শ মতো চিকিৎসা করিয়েছেন, এছাড়া আর কিছু করানো হয়নি।

এর ফলে গত সপ্তাহে নায়েক রাজ পরিবারের সদস্যের সুস্থ হওয়ার পিছনে ওই রিসর্টের যে যোগাযোগ ছিল বলে দাবি করেছিলেন তা থেকে সরে আসেন। প্রসঙ্গত ৭১ বছরের প্রিন্স চার্লস বহু বছর ধরে আয়ুর্বেদের সরব সমর্থক ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ইউকে সফরকালে লন্ডনের সায়েন্স মিউজিয়ামে যে আয়ুর্বেদিক সেন্টার অব এক্সিলেন্স উদ্বোধন করা হয় তাতে যোগ দিয়েছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।